
নিজস্ব সংবাদদাতা, দক্ষিণ ২৪ পরগনা, ৪ এপ্রিল, পুলিশকে দেখে ভয়ে ঘরের ভেতরে আবার পুলিশের অবর্তমানে বাইরে বেরোনো, এপ্রকার চোর পুলিশ খেলতে মোট এখন জনগণ। তাদের ভ্রুক্ষেপই নেই যে কেন এই লকডাউন, জমায়েত থেকেই যে সংক্রমণের সম্ভাবনা বেশি বাড়বে তা অনেকের এখনও জানা নেই। যতই সময় যাচ্ছে লকডাউন ততই আলগা হচ্ছে রাজ্যে। রাজ্যের কোথাও অত্যাবশ্যকীয় পণ্য বা সব্জির জোগান যাতে ব্যাহত না হয় তার দিকে পুলিশ-প্রশাসনকে নজর দিতে বলেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি কড়া হাতে লকডাউন কার্যকর করা পুলিশকর্মীদের ভর্ৎসনাও করেছিলেন তিনি। এরপরই পুলিশ লকডাউন উপেক্ষা করায় সাধারণ মানুষদের অনুনয়-বিনয় করে ঘরে ফেরানোর চেষ্টা করতে থাকেন। হল হিতে বিপরীত, খাস এবার দক্ষিণ ২৪ পরগনা জেলার উস্তি থানার অন্তরগত হটুগঞ্জ বাজারে দোকানে রোজই লকডাউন উপেক্ষা করে ভিড় জমাচ্ছেন মানুষ। এছাড়াও পাড়ার রক, চায়ের দোকানেও চলছে জমিয়ে আড্ডা। কখনও সখনও পুলিশ আসলে ভিড় পাতলা হলেও পুলিশ চলে গেলে যেই কে সেই পরিস্থিতি।
যদিও মুখ্যমন্ত্রী নিজে বারবার আবেদন করছেন নিজেদের ঘরবন্দি রাখার। তিনি নিজের উদাহরণ দিয়ে বলেছেন, ‘এ সময় দরকার পড়লে সেদ্ধ ভাত খান, কিন্তু পেট ভরে খান। এই লড়াই সকলে মিলে লড়তে হবে। রাস্তাঘাটে ঘুরবেন না, আড্ডা মারবেন না’। করোনা পরিস্থিতি যেভাবে ভয়াবহ আকার নিচ্ছে তার দিকে দৃষ্টি আকর্ষণ করে মুখ্যমন্ত্রী বলেছেন, ‘আগামী ২ সপ্তাহ খুবই গুরুত্বপূর্ণ। দয়া করে লকডাউন মেনে চলুন। অযথা বাজারে ভিড় করবেন না। এই পরিস্থিতিতে আগুন নিয়ে খেলবেন না। নিজেকে ভাল রাখতে বাড়িতে থাকুন’। তবুও সচেতনতা বাড়ার লক্ষণ নেই রাজ্যের সাধারণ মানুষের। লকডাউন উপেক্ষা করেই রাস্তায় বেড়িয়ে পড়ছেন হাজার হাজার মানুষ। যদিও কলকাতায় এদিন বেশ কয়েকজনকে আটক করেছে পুলিশ, আগামীদিনেও লকডাউন ভাঙা হলে কড়া ব্যবস্থা নেওয়ার হুমকি দিয়েছেন কলকাতার পুলিশ কমিশনার অনুজ শর্মা।



















