
নিজস্ব সংবাদদাতা, নদীয়া, ১০ এপ্রিল, করোনা রুখতে দেশজুড়ে চলছে লকডাউন, যার জেরে সমস্যায় পড়েছে গোটা দেশবাসী। তবে সবথেকে বেশি অসুবিধার মধ্যে আছে গরিব দিন আনা দিন খাওয়া মানুষ গুলো।এরকমই কৃষ্ণনগরের এক গরিব পরিবারের শোচনীয় অবস্থার কথা দুঃখি মানুষগুলোর মুখেই সামনে এল। ফুটে উঠল দেশের প্রতিটি গরিব ঘরের ছবি।পরিবারে রয়েছে দুই মহিলা আর একটি ছোট্ট বাচ্ছা।বাড়ির ছেলে আছেন কিন্তু কাজের জন্য রাজ্যের বাইরে থাকেন। গোরক্ষপুরে মৃৎশিল্পের কাজ করেন তিনি।লকডাউনের জেরে তিনিও আটকে পড়েছেন সেখানে।
বিক্রি না হলেও ঘরে বসেই ছোট ছোট মাটির পুতুলের কাজ করেন বৌমা ও শাশুড়ি।উর্মিলা দেবীর কথায়, মানুষের পেটে ভাত নেই সেই পরিস্থিতিতে কে কিনবে মাটির পুতুল।অতি দুঃখের সাথে দিন কাটছে তাদের, কোনো বেলা অন্ন জুটছে তো কোনও বেলা না খেয়েই শুতে হচ্ছে।এমনই অনাহার পরিস্থিতির শিকার এই পরিবার। রেশনের চাল পেলেও সেই চালে সারামাস চালানো বিরাট দায়। শিল্পসত্তাকে বাঁচিয়ে রাখার জন্য প্রতিদিন সংগ্রাম চালিয়ে যেতে হচ্ছে।তবে এ শোচনীয় পরিস্থিতির অবসান কবে, তা জানা নেই।লকডাউনে কিভাবে তাদের শিল্পকে বাঁচিয়ে রাখবে এবং পরিবারে সংস্থান করবেন সেই চিন্তায় মানসিক ভাবে বিপর্যস্ত উর্মিলা দেবী।হয়তো হারিয়ে যেতে বসেছে অগণিত শিল্পসত্তা।



















