
২৭ এপ্রিল, করোনা আতঙ্কে ত্রস্ত গোটা দেশ। রাজ্যে ক্রমশ বাড়ছে করোনা আক্রান্তের সংখ্যা। গত ২৪ ঘন্টায় নতুন করে আক্রান্ত হয়েছে ৪৭ জন এবং সুস্থ হয়েছেন ৪ জন। আজ সাংবাদিক বৈঠকে এমনটাই বিবৃতি দিয়ে জানিয়েছেন মুখ্যসচিব রাজীব সিনহা।এছাড়াও তিনি জানান, সরকারি কোয়ারেন্টাইনে রয়েছেন ৫ হাজার ৪৪৭ জন এবং হোম কোয়ারেন্টাইনে আছেন ১৮ হাজার ৬২৯ জন।
দেশজুড়ে ৩ মে লকডাউন ওঠার সম্ভাবনা কম রয়েছে।বিশেষ করে রেড জোন এলাকাগুলিতে ২১ শে মে পর্যন্ত লকডাউন চলবে বলে জানান।২১ মে অবধি রাজ্যকে তিন ভাগে ভাগ করে নজরদারি চালানো হবে।রেড, গ্রিন, অরেঞ্জ জোনে গোটা রাজ্যকে ভাগ করে একটি তালিকা ইতিমধ্যে তৈরী করেছে রাজ্যসরকার।মুখ্যমন্ত্রী জানিয়েছেন, লকডাউন তোলার জন্য রেড, অরেঞ্জ ও গ্রিন জোনে আলাদা আলাদা পরিকল্পনা করবে রাজ্য সরকার। রেড জোনে জারি থাকবে লকডাউন। যেখানে ২১ দিন বা তার বেশি সময় করোনা রোগীর কোনও খোঁজ মেলেনি সেই অরেঞ্জ জোনে কিছু বিষয়ে ছাড় দেওয়া হবে। আর যেখানে কখনও কোনও করোনা রোগী মেলেনি সেখানে ছাড় থাকবে আরেকটু বেশি।

পূর্ব মেদিনীপুর
মুখ্যমন্ত্রীর সেই ঘোষণার পরই কলকাতা, হাওড়া, উত্তর ২৪ পরগনা ও পূর্ব মেদিনীপুরের কনটেইনমেন্ট জোনের নির্দেশিকা প্রকাশ করল রাজ্য। এই সমস্ত জায়গাগুলিতে আপাতত কড়া নজরে রাখা হবে।যদিও রাজ্যের তরফে আগামী ২১ মে পর্যন্ত যে ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে, তা লকডাউন নয় বলেই মন্তব্য করেছেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর কথায়, ‘লকডাউন নিয়ে যা সিদ্ধান্ত নেওয়ার কেন্দ্র নিক। আমরা জোন ভাগ করে দেব। রাজ্যকে তো আমাদেরই চালাতে হবে।’

হাওড়া
রেড জোন এলাকা:-
১। কলকাতা ২। উত্তর ২৪ পরগনা ৩। হাওড়া ৪। পূর্ব মেদিনীপুর
কলকাতা
গ্রিন জোন এলাকা:-
১। আলিপুর ২। কোচবিহার ৩। উত্তর দিনাজপুর ৪। দক্ষিণ দিনাজপুর ৫। বীরভূম ৬। বাঁকুড়া ৭। পুরুলিয়া
৮। ঝাড়গ্রাম



উত্তর ২৪ পরগনা
অরেঞ্জ জোন এলাকা:-
১। দক্ষিণ ২৪ রগনা ২। হুগলি ৩। পশ্চিম মেদিনীপুর ৪। পূর্ব বর্ধমান ৫। পশ্চিম বর্ধমান ৬। কালিম্পঙ ৭। নদীয়া
৮। জলপাইগুড়ি ৯। দার্জিলিং ১০। মুর্শিদাবাদ ১১। মালদা


















