সোনারপুর কাণ্ডের পর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, হাসপাতালে ভর্তি নন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

সোনারপুর কাণ্ডের পর স্বাস্থ্য পরীক্ষা, হাসপাতালে ভর্তি নন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



রাজ্য – সোনারপুরে বিক্ষোভ ও উত্তেজনাপূর্ণ পরিস্থিতির মুখে পড়ার পর তৃণমূল কংগ্রেসের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও সাংসদ অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে স্বাস্থ্য পরীক্ষার জন্য হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। তবে চিকিৎসকদের পর্যবেক্ষণের পর তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করার প্রয়োজন নেই বলে জানানো হয়েছে।

শনিবার রাতে বেলভিউ হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ এক বিবৃতিতে জানায়, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের শরীরে কোনও গুরুতর আঘাতের চিহ্ন পাওয়া যায়নি। বুকে সামান্য কালশিটে দাগ থাকলেও তিনি সম্পূর্ণ সচেতন, স্বাভাবিক এবং স্বনির্ভরভাবে হাঁটাচলা করতে সক্ষম। সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে কিছু ওষুধ দেওয়া হয়েছে এবং হাসপাতালে ভর্তি হওয়ার প্রয়োজন নেই বলেই চিকিৎসকরা মত দিয়েছেন।

এর আগে তাঁকে অ্যাপোলো হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়েছিল বলে জানা যায়। পরে বেলভিউ হাসপাতালে স্বাস্থ্য পরীক্ষা করানো হয়। সেখানে প্রাথমিক কিছু শারীরিক পরীক্ষা-নিরীক্ষাও করা হয়। এই সময় হাসপাতালে উপস্থিত ছিলেন তৃণমূল নেতা কুণাল ঘোষ।

হাসপাতালে গিয়ে কুণাল ঘোষ অভিযোগ করেন, অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়কে হাসপাতালে ভর্তি না করার জন্য প্রশাসনিক চাপ সৃষ্টি করা হয়েছে। যদিও এই অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট হাসপাতাল বা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনও আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া সামনে আসেনি।

উল্লেখ্য, শনিবার সোনারপুরে নিহত তৃণমূল কর্মী সঞ্জু কর্মকারের পরিবারের সঙ্গে দেখা করতে যাওয়ার পথে বিক্ষোভের মুখে পড়েন অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়। ঘটনাস্থলে তাঁকে লক্ষ্য করে স্লোগান দেওয়া হয় বলে অভিযোগ। পরিস্থিতি দ্রুত উত্তপ্ত হয়ে ওঠে এবং তাঁর দিকে ডিম, জুতো ও অন্যান্য বস্তু ছোড়া হয়েছে বলেও অভিযোগ ওঠে। নিরাপত্তার স্বার্থে তাঁকে হেলমেট পরিয়ে ঘটনাস্থল থেকে সরিয়ে নিয়ে যাওয়া হয়।

ঘটনার পর অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায় অভিযোগ করেন, তাঁর উপর হামলার চেষ্টা করা হয়েছে এবং নিরাপত্তা ব্যবস্থায় ঘাটতি ছিল। তিনি জানান, পুরো ঘটনার আইনি প্রতিকার চেয়ে আদালতের দ্বারস্থ হবেন। পাশাপাশি দলীয় কর্মীদের এমন ঘটনার ক্ষেত্রে সমস্ত তথ্যপ্রমাণ সংরক্ষণ করে পুলিশের কাছে জমা দেওয়ার পরামর্শ দেন।

পরে এই ঘটনার তীব্র নিন্দা করেন তৃণমূল নেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। সামাজিক মাধ্যমে তিনি ঘটনার প্রতিবাদ জানিয়ে রাজনৈতিক প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে কড়া সমালোচনা করেন।

সোনারপুরের এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে রাজ্যের রাজনৈতিক মহলে নতুন করে উত্তেজনা তৈরি হয়েছে। ঘটনার প্রকৃত পরিস্থিতি এবং নিরাপত্তা সংক্রান্ত বিষয়গুলি নিয়ে ইতিমধ্যেই আলোচনা শুরু হয়েছে বিভিন্ন মহলে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top