চরম কষ্ট করে এদের কেউ বা এসেছেন উত্তরপ্রদেশ থেকে কেউবা মুম্বাই থেকে। নিজেদের উদ্যোগে গ্রামে ফিরেও ঠাঁই হলনা বাড়িতে বা কোয়ারেন্টাইনে। অবশেষে গ্রামের ফাঁকা জায়গায় জায়গায় তাঁবু খাটিয়ে রাত কাটাতে হচ্ছে রায়গঞ্জ বাহিন গ্রামের পরিযায়ী শ্রমিকদের। এমনই চিত্র দেখা গিয়েছে উত্তর দিনাজপুর জেলার রায়গঞ্জ ব্লকের বাহিন গ্রামপঞ্চায়েতের বাহিন গ্রামে। স্বাস্থ্য দপ্তর থেকে যতদিন না এদের করোনা টেস্টের সুস্থতার রিপোর্ট মিলবে ততদিন গ্রামেরই বাসিন্দা এই পরিযায়ী শ্রমিকদের গ্রামে ঢুকতে দেবেন না বর্তমান বাসিন্দারা এমনই নিদান জারি করা হয়েছে।


ফলে চরম অসহায়তার মধ্যে ঝড় জল বৃষ্টির মধ্যে অভুক্ত অবস্থায় দিন কাটাচ্ছেন ৪২ জন পরিযায়ী শ্রমিক। রায়গঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতির সহ সভাপতি মানস ঘোষ অবশ্য জানিয়েছেন, কেন্দ্রীয় সরকারের ভ্রান্ত নীতির ফল ভোগ করতে হচ্ছে পরিযায়ী শ্রমিকদের। তবে পরিযায়ী শ্রমিক এবং গ্রামের বাসিন্দারা উভয়েই কোভিড নিয়ে সচেতন বলেই গ্রামের বাইরে ফাঁকা জায়গায় তাঁবু খাটিয়ে তাঁরা রয়েছেন। সরকার থেকে তাদের সরকারি কোয়ারেন্টাইনে থাকার কথা বলা হয়েছিল। গ্রামপঞ্চায়েতের পক্ষ থেকে আশাকর্মী ও এএনএম কর্মীদের দিয়ে তাদের স্বাস্থ্য পরীক্ষা সহ সমস্তরকম সুযোগ সুবিধা প্রদান করা হচ্ছে বলে দাবি করেন তৃণমূল কংগ্রেস পরিচালিত রায়গঞ্জ পঞ্চায়েত সমিতি।



















