কলকাতা – অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের কালীঘাটের বাড়িতে শালবনি থানার পুলিশের তল্লাশি সংক্রান্ত মামলায় গুরুত্বপূর্ণ নির্দেশ দিল হাই কোর্ট। বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য তল্লাশির সময়কার সিসিটিভি ফুটেজ, অডিও এবং ভিডিও রেকর্ড সংরক্ষণ করার নির্দেশ দিয়েছেন। পাশাপাশি চার সপ্তাহের মধ্যে তল্লাশি সংক্রান্ত সমস্ত তথ্য হলফনামা আকারে আদালতে জমা দিতে রাজ্যকে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আবেদনকারীকে তার দু’সপ্তাহের মধ্যে জবাবি হলফনামা জমা দিতে হবে। পাঁচ সপ্তাহ পরে মামলার পরবর্তী শুনানি হবে।
আদালতে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের পক্ষে আইনজীবী কিশোর দত্ত দাবি করেন, একটি এফআইআরের ভিত্তিতে কোনও ওয়ারেন্ট ছাড়াই গভীর রাতে তল্লাশি চালানো হয়েছে। তাঁর অভিযোগ, মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের নাম না থাকা সত্ত্বেও পুলিশের এই পদক্ষেপ ক্ষমতার অপব্যবহারের শামিল। তিনি আদালতের কাছে তল্লাশির সময়কার সমস্ত সিসিটিভি ফুটেজ সংরক্ষণের আবেদন জানান।
শুনানির সময় বিচারপতি সৌগত ভট্টাচার্য রাজ্যের আইনজীবীর কাছে জানতে চান, গভীর রাতে কেন তল্লাশি চালানো হয়েছিল। জবাবে জানানো হয়, অভিযুক্ত ব্যক্তি পালিয়ে যেতে পারেন—এই আশঙ্কাতেই ওই সময় অভিযান চালানো হয়েছিল। উভয় পক্ষের বক্তব্য শোনার পর আদালত তল্লাশি ও জব্দের সময়কার সমস্ত সিসিটিভি, অডিও এবং ভিডিও রেকর্ড সংরক্ষণের নির্দেশ দেয় এবং উভয় পক্ষকে হলফনামা জমা দেওয়ার নির্দেশও দেয়।
উল্লেখ্য, জমি দুর্নীতির মামলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের ঘনিষ্ঠ সহযোগী সুমিত রায়ের খোঁজে শালবনি থানার পুলিশ কালীঘাটের পটুয়াপাড়ায় তাঁর বাড়িতে তল্লাশি চালায়। অভিযোগ, মোবাইল টাওয়ার লোকেশন ট্র্যাক করে ওই ঠিকানায় পৌঁছে ভোররাতে পুলিশ অভিযান চালায়। সেই তল্লাশির বৈধতা নিয়ে দায়ের হওয়া মামলার শুনানিতেই এই নির্দেশ দিয়েছে হাই কোর্ট।




















