কুণাল ঘোষের হামলার মামলায় মানবাধিকার কমিশনে শুনানি, হাজিরই হলেন না পুলিশ আধিকারিকরা; কড়া অসন্তোষ চেয়ারম্যান আই পি মুখোপাধ্যায়ের

কুণাল ঘোষের হামলার মামলায় মানবাধিকার কমিশনে শুনানি, হাজিরই হলেন না পুলিশ আধিকারিকরা; কড়া অসন্তোষ চেয়ারম্যান আই পি মুখোপাধ্যায়ের

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



কলকাতা

তৃণমূল বিধায়ক কুণাল ঘোষের উপর পরপর হামলার অভিযোগ নিয়ে রাজ্য মানবাধিকার কমিশনে বুধবার শুনানি হয়। কিন্তু কমিশনের নির্দেশ থাকা সত্ত্বেও সংশ্লিষ্ট থানার কোনও দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ আধিকারিক হাজির না হওয়ায় তীব্র অসন্তোষ প্রকাশ করেন কমিশনের চেয়ারম্যান তথা প্রাক্তন বিচারপতি আই পি মুখোপাধ্যায়। শুনানিতে কুণাল ঘোষ ও বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায় উপস্থিত ছিলেন।

কুণাল ঘোষের অভিযোগ, গত কয়েক মাসে তাঁর উপর একাধিক হামলার ঘটনা ঘটেছে। সেই অভিযোগের ভিত্তিতেই রাজ্য মানবাধিকার কমিশনে স্মারকলিপি জমা দিয়েছিলেন তিনি। ২৪ মে কালীঘাট, ২৬ সেপ্টেম্বর শ্রীরামপুর এবং ২৭ সেপ্টেম্বর ফুলবাগান ও বেলেঘাটায় তাঁর গাড়ি ঘিরে হামলা ও ভাঙচুরের অভিযোগের কথা কমিশনকে জানানো হয়েছিল।

বুধবারের শুনানিতে কমিশনের তরফে সংশ্লিষ্ট পুলিশ কর্তাদের উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছিল। কিন্তু বেলেঘাটা ও কালীঘাট থানার ওসিরা হাজির হননি। তাঁদের তরফে ই-মেলের মাধ্যমে অনুপস্থিতির কারণ জানানো হলেও, একই ধরনের ব্যাখ্যা দিয়ে পুলিশ আধিকারিকদের অনুপস্থিতি কমিশনের কাছে গ্রহণযোগ্য নয় বলে জানানো হয়।

শুনানিতে সাধারণ মানুষের অবাধ চলাফেরার অধিকার নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করে কমিশন। অভিযোগগুলির যথাযথ তদন্তের জন্য পুলিশকে দ্রুত পদক্ষেপ করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। কমিশনের চেয়ারম্যান জানিয়েছেন, পুলিশ সঠিকভাবে তদন্ত না করলে প্রয়োজনে অন্য রাজ্যের পুলিশকে দিয়ে তদন্ত করানোর উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।

পাশাপাশি বুধবারের শুনানির পর মামলার অর্ডারের কপি রাজ্যের মুখ্যসচিব এবং স্বরাষ্ট্রসচিবের কাছে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। আগামী ১২ অক্টোবর ফের শুনানি হবে এবং সংশ্লিষ্ট পুলিশ আধিকারিকদের সেদিন উপস্থিত থাকার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।

মানবাধিকার কমিশনের এই কড়া পর্যবেক্ষণের কথা পরে সামাজিক মাধ্যমে তুলে ধরেন কুণাল ঘোষও। তাঁর বক্তব্য, কমিশনের নির্দেশের পরেও পুলিশের কোনও আধিকারিকের শুনানিতে উপস্থিত না থাকা অত্যন্ত তাৎপর্যপূর্ণ। তবে হামলার ঘটনাগুলির প্রকৃত কারণ ও অভিযুক্তদের ভূমিকা নিয়ে তদন্ত এখনও চলছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top