রাজ্য – কেন্দ্রীয় সরকারের ‘প্রধানমন্ত্রী বিশ্বকর্মা যোজনা’ আনুষ্ঠানিকভাবে পশ্চিমবঙ্গে চালু হল। বৃহস্পতিবার কলকাতার ধনধান্য অডিটোরিয়ামে কেন্দ্রীয় এমএসএমই মন্ত্রী জিতন রাম মাঝির উপস্থিতিতে প্রকল্পের সূচনা করেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। অনুষ্ঠানে মুখ্যমন্ত্রী দাবি করেন, আগের সরকারের আমলে প্রশাসনিক স্তরে বাধার কারণে রাজ্যের বহু হস্তশিল্পী ও কারিগর কেন্দ্রীয় এই প্রকল্পের সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়েছেন। রাজ্যে নতুন সরকার ক্ষমতায় আসার পর চার মাসের মধ্যে সেই বাধা দূর করা হয়েছে বলেও দাবি করেন তিনি।
শুভেন্দু অধিকারীর বক্তব্য, বিশ্বকর্মা পোর্টালে পশ্চিমবঙ্গের প্রায় ৭ লক্ষ ৭০ হাজার কারিগরের নাম নথিভুক্ত থাকা সত্ত্বেও এতদিন প্রকল্পের কাজ এগোয়নি। তাঁর অভিযোগ, তৎকালীন প্রশাসনিক নির্দেশের কারণে জেলাস্তরে প্রকল্প বাস্তবায়নের প্রক্রিয়া থমকে ছিল। এর ফলে স্বর্ণশিল্পী, চর্মশিল্পী এবং বিভিন্ন হস্তশিল্পের সঙ্গে যুক্ত বহু মানুষ কাজের সন্ধানে সুরাট, দিল্লি, জয়পুর ও পুনের মতো শহরে পাড়ি দিতে বাধ্য হয়েছেন বলেও দাবি করেন মুখ্যমন্ত্রী।
অনুষ্ঠান থেকে শুভেন্দু আরও বলেন, আয়ুষ্মান ভারত বা বিশ্বকর্মা যোজনার মতো জনকল্যাণমূলক প্রকল্প থেকে মানুষকে দূরে রাখার অভিযোগের রাজনৈতিক প্রভাবও পড়েছে। দিল্লি, ওড়িশা ও পশ্চিমবঙ্গের প্রসঙ্গ তুলে তিনি দাবি করেন, যে রাজ্যগুলিতে আয়ুষ্মান ভারত প্রকল্প নিয়ে আপত্তি ছিল, সেখানে মানুষ ভোটের মাধ্যমে সরকার পরিবর্তন করেছে। তাঁর কথায়, বাংলার প্রকৃত বিশ্বকর্মারাই আগের সরকারকে সরিয়ে দিয়েছেন।
এদিন আগামী দিনের কর্মসূচির কথাও ঘোষণা করেন মুখ্যমন্ত্রী। তাঁর দাবি, ২০২৭ সালের ১৭ সেপ্টেম্বর বিশ্বকর্মা দিবস কলকাতার ব্রিগেড প্যারেড গ্রাউন্ডে বড় আকারে পালন করা হবে। শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত অডিটোরিয়ামের পরিবর্তে খোলা মাঠে অন্তত পাঁচ লক্ষ সুবিধাভোগীকে নিয়ে ওই অনুষ্ঠান করার পরিকল্পনার কথা জানান তিনি।




















