ঠনঠনিয়া কালী মন্দিরে পুজো দিয়ে উত্তর কলকাতায় রোড শো শুরু মোদির, জনসমুদ্রে মুখরিত শহর

ঠনঠনিয়া কালী মন্দিরে পুজো দিয়ে উত্তর কলকাতায় রোড শো শুরু মোদির, জনসমুদ্রে মুখরিত শহর

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


কলকাতা – কলকাতায় শেষ দফার নির্বাচনী প্রচারে এসে ঠনঠনিয়া কালী মন্দিরে পুজো দিলেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। রজনীগন্ধা, জবা, পদ্মফুল, আকন্দ ফুল, প্যাড়া ও সুগন্ধি ধূপসহ প্রায় তিনশো টাকার একটি ডালি তুলে দেন মন্দির লাগোয়া এক ফুল বিক্রেতার হাতে। মায়ের সামনে দাঁড়িয়ে আরতিও করেন তিনি।
পুজো শেষে সমর্থকদের উদ্দেশ্যে হাত নেড়ে বিধান সরণী থেকে উত্তর কলকাতার রোড শোয়ের উদ্দেশ্যে রওনা দেন প্রধানমন্ত্রী। শুরুতে রোড শোয়ের রুট বি কে পার্ক থেকে খান্না মোড় পর্যন্ত নির্ধারিত থাকলেও পরে তা বদলে শুরু হয় সেন্ট্রাল অ্যাভিনিউ ও বিজন স্ট্রিট ক্রসিং থেকে। জোড়াবাগান, আহিরিটোলা হয়ে তাঁর কনভয় সন্ধ্যা নাগাদ বি কে পাল পার্কে পৌঁছয়।
প্রধানমন্ত্রীকে এক ঝলক দেখার জন্য দুপুর থেকেই বি কে পাল অ্যাভিনিউ, বস্তা পট্টি, অরবিন্দ সরণী, হাতিবাগান ও বিধান সরণীতে উপচে পড়ে জনতা। হাজার হাজার মানুষ ভিড় জমান রাস্তার দু’ধারে। যান চলাচল নিয়ন্ত্রণে রাখে কলকাতা পুলিশ। দেরিতে শুরু হওয়া রোড শোর কারণে সন্ধ্যার আলো-আঁধারিতেই কার্যত জনসমুদ্রের মধ্যে এগোয় প্রধানমন্ত্রীর কনভয়।
রোড শো চলাকালীন “জয় শ্রীরাম” ও “মোদি মোদি” স্লোগানে মুখরিত হয়ে ওঠে শ্যামপুকুর ও মানিকতলা এলাকা। উপস্থিত জনতার উদ্দেশ্যে প্রধানমন্ত্রী দু’পাশে থাকা প্রার্থীদের দিকে ইঙ্গিত করে ভোট দেওয়ার আহ্বান জানান। উত্তর কলকাতার এই প্রচারে তাঁর সঙ্গে ছিলেন স্থানীয় প্রার্থী তাপস রায় ও পূর্ণিমা চক্রবর্তী, পাশাপাশি রাজ্য সভাপতি শমীক ভট্টাচার্যও।
ক্লান্ত অথচ দৃঢ় ভঙ্গিতে মোদির এই রোড শো কার্যত শেষ দফার ভোটের আগে রাজনৈতিক উত্তাপ আরও বাড়িয়ে দেয়। পর্যবেক্ষকদের মতে, উত্তর কলকাতার এই জনজোয়ার ভোটের লড়াইকে আরও তীব্র করে তুলেছে।
এর আগে দুপুরে বনগাঁয় জনসভা করে তিনি হুগলির আরামবাগের হরিপালেও দ্বিতীয় জনসভা করেন। সন্ধ্যায় কলকাতায় পৌঁছে উত্তর কলকাতার রোড শোয়ে অংশ নেন তিনি। গত কয়েকদিন ধরেই রাজ্যে টানা প্রচারে ব্যস্ত প্রধানমন্ত্রী। এর আগে ঝাড়গ্রামে ঝালমুড়ি কিনে, গঙ্গা বক্ষে নৌকাবিহার করে এবং বিভিন্ন জনসংযোগ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে তিনি নজর কাড়েন।
ঠণঠণিয়া কালী মন্দিরে পুজো দিয়ে কলকাতার ঐতিহ্যের সঙ্গে নিজেকে যুক্ত করে প্রচার শুরু করায় তা রাজনৈতিক ও সামাজিক মহলে বিশেষ আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top