থিয়েটারের দর্শকাসনে শমীক, মঞ্চে তৃণমূল সাংসদ পার্থ! শহরে জোর চর্চা শিল্প ও রাজনীতির সমীকরণ নিয়ে

থিয়েটারের দর্শকাসনে শমীক, মঞ্চে তৃণমূল সাংসদ পার্থ! শহরে জোর চর্চা শিল্প ও রাজনীতির সমীকরণ নিয়ে

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য – ভোটপর্ব মিটতেই রাজনৈতিক ব্যস্ততার মাঝেও থিয়েটারের আসরে দেখা গেল বিজেপির রাজ্য সভাপতি Shamik Bhattacharya-কে। শনিবার সন্ধ্যায় Academy of Fine Arts-এ কবি Shakti Chattopadhyay-এর জীবন নিয়ে মঞ্চস্থ হওয়া নাটক দেখতে হাজির হন তিনি। আর সেই নাটকেই অভিনয় করছিলেন তৃণমূল সাংসদ Partha Bhowmick। রাজ্যে রাজনৈতিক পালাবদলের পর এই দৃশ্য ঘিরে শহরের সাংস্কৃতিক ও রাজনৈতিক মহলে শুরু হয়েছে জোর চর্চা।
নাটক দেখার পর সমাজমাধ্যমে শমীক ভট্টাচার্য লেখেন, “শিল্পী এবং শিল্পসত্ত্বাকে খুন করার অধিকার কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব তথা সরকারের নেই। নাটক নাটকের মতো চলবে।” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরেও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে রাজনৈতিক ও সাংস্কৃতিক মহলে।
এদিন মঞ্চস্থ হয়েছিল ‘আ-শক্তি’ নাটক। কবি শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের জীবনকে কেন্দ্র করে তৈরি এই নাটকের নাট্যকার Ujjal Chattopadhyay। নাটকে অভিনয় করেছেন বিশিষ্ট অভিনেতা Debshankar Haldar-ও। নাটক শেষ হওয়ার পর গ্রিন রুমে গিয়ে পার্থ ভৌমিক-সহ অন্যান্য শিল্পীদের অভিনয়ের প্রশংসা করেন শমীক ভট্টাচার্য।
সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে শমীক বলেন, “একজন শিল্পীর শিল্পকে খুন করার অধিকার কোনও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের নেই। কোনও রাজনৈতিক সত্ত্বার নেই। মতপ্রকাশের অধিকার ভারতের সংবিধান তাঁকে দিয়েছে। নাটক নাটকের মতো চলবে। সরকারের সমালোচনা হবে। সরকারের বিচ্যুতিকে তুলে ধরে কেউ যদি নাটক লিখতে চান, কেউ যদি কবিতা লিখতে চান বা প্রবন্ধ লিখতে চান, সেটাকে বাধা দিলে এই দেশের সংস্কৃতির মৃত্যু নেমে আসবে।”
শক্তি চট্টোপাধ্যায় যে তাঁর অত্যন্ত প্রিয় কবিদের একজন, তা বহুবার প্রকাশ্যে জানিয়েছেন শমীক ভট্টাচার্য। রাজনৈতিক সভার ভাষণেও একাধিকবার শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের কবিতা উদ্ধৃত করতে শোনা গিয়েছে তাঁকে। এমনকি ২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রচারের সময় পানিহাটির সভায় প্রধানমন্ত্রী Narendra Modi-কে শক্তি চট্টোপাধ্যায়ের ছবি উপহার দিয়েছিলেন তিনি। সেই ছবি এঁকেছিলেন চিত্রশিল্পী Subrata Gangopadhyay।
কয়েকদিন আগেই টলিউডের তথাকথিত ‘ব্যান কালচার’ নিয়েও সরব হয়েছিলেন শমীক। তাঁর বক্তব্য ছিল, “কে ছবি বানাবে, কার ছবি নন্দনে আগে মুক্তি পাবে, সেটাও কি অন্য কেউ ঠিক করবে? শিল্পীর মর্যাদা শিল্পীরাই রক্ষা করতে পারেন।”
রাজনৈতিক মতাদর্শ আলাদা হলেও শিল্প ও সংস্কৃতির মঞ্চে এই ধরনের উপস্থিতি রাজ্যের সাংস্কৃতিক পরিসরে নতুন বার্তা দিচ্ছে বলেই মনে করছেন অনেকেই।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top