রাজ্য – পঞ্চায়েত স্তরে প্রশাসনিক কাজের গতি বৃদ্ধি এবং জনপরিষেবা ব্যাহত হওয়া রোধে নতুন সংশোধনী বিল আনতে চলেছে রাজ্য সরকার। প্রস্তাবিত ‘দ্য ওয়েস্ট বেঙ্গল পঞ্চায়েত (সেকেন্ড অ্যামেন্ডমেন্ট) বিল’-এ বলা হয়েছে, কোনও গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান ও উপপ্রধান টানা ১৫ দিনের বেশি অনুপস্থিত থাকলে এবং সেই সময়ে দায়িত্ব নেওয়ার জন্য নির্বাচিত সদস্যদের কেউ রাজি না হলে, প্রশাসনিক কাজ চালিয়ে যেতে একজন প্রশাসক নিয়োগ করা যাবে।
বিল অনুযায়ী, এমন পরিস্থিতিতে নির্ধারিত কর্তৃপক্ষ একজন এক্সটেনশন অফিসার বা তার ঊর্ধ্বতন পদমর্যাদার আধিকারিককে সর্বোচ্চ ৩০ দিনের জন্য প্রশাসক হিসেবে নিয়োগ করতে পারবেন। এছাড়াও, প্রধান ও উপপ্রধানের অনুপস্থিতিতে টানা দুই মাস গ্রাম পঞ্চায়েতের বৈঠক না হলে সংশ্লিষ্ট বিডিও-র অনুমতি নিয়ে পঞ্চায়েতের সচিব বৈঠক ডাকতে পারবেন। সেই বৈঠকে এক্সটেনশন অফিসার এবং এক্সিকিউটিভ অ্যাসিস্ট্যান্ট পর্যবেক্ষক হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।
শনিবার বিধানসভায় এই সংশোধনী বিল উপস্থাপিত হওয়ার কথা রয়েছে। একই সঙ্গে পঞ্চায়েতের কাজের অগ্রগতি এবং সরকারি প্রকল্পগুলির বাস্তবায়ন খতিয়ে দেখতে জেলা সফর শুরু করছেন পঞ্চায়েত ও গ্রামোন্নয়ন মন্ত্রী দিলীপ ঘোষ। আগামী সপ্তাহে তিনি হাওড়া ও হুগলি সফরে গিয়ে বিডিও এবং পঞ্চায়েত স্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে বৈঠক করবেন।
মন্ত্রী জেলার বিভিন্ন এলাকায় আবাস যোজনা, অন্নপূর্ণা যোজনা এবং জি রাম জি প্রকল্প-সহ বিভিন্ন সরকারি প্রকল্পের অগ্রগতি পর্যালোচনা করবেন। সম্প্রতি আয়োজিত একটি ভার্চুয়াল বৈঠকে ৩,৩৩৯ জন পঞ্চায়েত প্রধানের মধ্যে ২,৬১০ জন উপস্থিত ছিলেন। পঞ্চায়েত স্তরে প্রশাসনিক স্বচ্ছতা, জবাবদিহি এবং পরিষেবার মান উন্নয়নে ইতিমধ্যেই একাধিক পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলেও প্রশাসনিক সূত্রে জানা গিয়েছে।




















