রাজ্য – রাজ্যে চলছে প্রথম দফার বিধানসভা নির্বাচন ২০২৬। কড়া নিরাপত্তার চাদরে মুড়ে ফেলা হয়েছে ভোটের এলাকা। সকাল থেকেই ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া শান্তিপূর্ণভাবে চলছে বলে দাবি করছে শাসক ও বিরোধী দুই পক্ষই, যদিও রাজনৈতিক চাপানউতোর থামেনি।
সকালে শান্তিকুঞ্জ থেকে বেরিয়েই নির্বাচন কমিশনের ভূমিকা নিয়ে সন্তোষ প্রকাশ করেন নন্দীগ্রামের বিজেপি প্রার্থী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, ভোট প্রক্রিয়ায় বড় কোনও অশান্তি হয়নি এবং নির্বাচন কমিশন ও কেন্দ্রীয় বাহিনীর ভূমিকা প্রশংসনীয়। তাঁর কথায়, “বেশি উৎপাত করতে পারেনি, পারবেও না।” পাশাপাশি তিনি সাধারণ মানুষের কাছে পরিবর্তনের আহ্বান জানান এবং বিজেপিকে দায়িত্ব দেওয়ার আবেদন করেন।
শুভেন্দু আরও দাবি করেন, ভোটের আগের রাত সাধারণত অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ হলেও এবার তেমন কোনও অশান্তি হয়নি। তিনি নির্বাচন কমিশন এবং কেন্দ্রীয় বাহিনীকে ধন্যবাদ জানান শান্তিপূর্ণ ভোট নিশ্চিত করার জন্য। এরপর তিনি নিজেও ভোটদানে অংশ নেন।
অন্যদিকে, নন্দীগ্রামের তৃণমূল প্রার্থী পবিত্র কর সকাল থেকেই বাড়িতে বসে বিভিন্ন বুথে নজরদারি চালান বলে জানা গেছে। তাঁর অভিযোগ, এলাকায় একাধিক জায়গায় বিজেপি কর্মীরা তাণ্ডব চালাচ্ছে এবং কর্মীদের উপর হামলা ও বাড়িঘর ভাঙচুরের ঘটনা ঘটছে। তবে তিনি দাবি করেন, এসব করে মানুষের মন জয় করা সম্ভব নয়।
এদিকে, খড়গপুরের সেরোসা স্টেডিয়ামের ২৬৩ নম্বর বুথে ভোট দিয়েছেন বিজেপি নেতা দিলীপ ঘোষ। তিনিও ভোট প্রক্রিয়াকে শান্তিপূর্ণ বলেই উল্লেখ করেন। তাঁর মতে, আপাতত কোথাও বড় কোনও সমস্যা নেই এবং মানুষ শান্তিতেই ভোট দিচ্ছেন। তিনি জানান, প্রয়োজন না হলে তিনি কোনও এলাকায় যাবেন না, তবে পরিস্থিতি খারাপ হলে হস্তক্ষেপ করবেন।
সব মিলিয়ে প্রথম দফার ভোটে নন্দীগ্রামসহ বিভিন্ন এলাকায় রাজনৈতিক চাপানউতোর চললেও প্রশাসনের দাবি, ভোটগ্রহণ প্রক্রিয়া মোটের ওপর শান্তিপূর্ণভাবেই চলছে।




















