বিদেশ -;মাত্র কয়েক ঘণ্টা আগেই ইরানের বিরুদ্ধে এখনও পর্যন্ত সবচেয়ে বড় সামরিক হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছিলেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। তবে পরিস্থিতির দ্রুত পরিবর্তনের মধ্যে তিনি এবার জানিয়ে দিলেন, আপাতত ইরানের উপর হামলার পরিকল্পনা স্থগিত রাখা হচ্ছে। একইসঙ্গে তেহরানের সঙ্গে শান্তিচুক্তি সংক্রান্ত আলোচনা উল্লেখযোগ্যভাবে এগিয়েছে বলেও দাবি করেছেন তিনি।
যদিও এই ধরনের দাবি ট্রাম্পের কাছে নতুন নয়। অতীতেও একাধিকবার তিনি শান্তি আলোচনা সফল হওয়ার কথা জানিয়েছিলেন। তবে পরবর্তী সময়ে সেই আলোচনার অনেক ক্ষেত্রেই প্রত্যাশিত ফল মেলেনি বলে সমালোচকদের দাবি।
বৃহস্পতিবার নিজের সোশ্যাল মিডিয়া প্ল্যাটফর্ম ট্রুথ সোশ্যালে ট্রাম্প লেখেন, ইরানের সামরিক অবকাঠামোর বড় অংশ ইতিমধ্যেই ধ্বংস হয়ে গিয়েছে। তাঁর দাবি, নৌবাহিনী, বিমানবাহিনী, রাডার ব্যবস্থা, বিমান প্রতিরক্ষা কাঠামো এবং অন্যান্য প্রতিরক্ষা সক্ষমতার সিংহভাগ কার্যত নিশ্চিহ্ন হয়ে গেছে।
শুধু তাই নয়, ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল রপ্তানি কেন্দ্র খার্গ দ্বীপ নিয়েও কড়া বার্তা দেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট। তিনি দাবি করেন, ভবিষ্যতের কোনও এক সময়ে যুক্তরাষ্ট্র খার্গ দ্বীপসহ ইরানের গুরুত্বপূর্ণ তেল ও জ্বালানি অবকাঠামোর নিয়ন্ত্রণ গ্রহণ করতে পারে। পাশাপাশি তিনি ভেনেজুয়েলার প্রসঙ্গ টেনে এনে তেল ও গ্যাস সম্পদের উপর পূর্ণ কর্তৃত্ব প্রতিষ্ঠার কথাও উল্লেখ করেন।
ট্রাম্পের এই পরস্পরবিরোধী অবস্থান আন্তর্জাতিক মহলে নতুন করে জল্পনা তৈরি করেছে। একদিকে সামরিক হুঁশিয়ারি, অন্যদিকে শান্তি আলোচনার অগ্রগতির দাবি— এই দুই বার্তার মধ্যে আগামী দিনে পশ্চিম এশিয়ার পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকেই নজর কূটনৈতিক মহলের।




















