কলকাতা: গতবার মায়ের চোখ এঁকেছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, পাশে ছিলেন ফিরহাদ হাকিম। এবার সেই ভবানীপুরেই পুজোর উদ্বোধনে ফিতে কাটলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তবে এবারের ছবিতে দেখা গেল না কলকাতার প্রাক্তন মেয়র ফিরহাদ হাকিমকে, যিনি ববি নামেই পরিচিত। চেতলা অগ্রণীর পুজোকে ঘিরে গতবারের সঙ্গে এবারের এই দৃশ্যের ফারাক নজর কেড়েছে রাজনৈতিক মহলের।
দুটি বছরের ছবিতে পরিবর্তন স্পষ্ট। গতবার ভবানীপুরের বিধায়ক ছিলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, এবার সেই কেন্দ্রের বিধায়ক মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। বদলেছে রাজনৈতিক পরিস্থিতি, বদলেছে পুজোর উদ্বোধনের ছবিও। তবে চেতলা অগ্রণীর পুজোকে ঘিরে রাজনৈতিক আলোচনা এবারও থেমে নেই। বিশেষ করে ফিরহাদ হাকিমের অনুপস্থিতি নিয়ে চর্চা শুরু হয়েছে।
পুজোর উদ্বোধন সেরে বিষয়টি নিয়ে প্রশ্নের মুখে পড়ে কটাক্ষের সুরে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “কে কাকে রাখবে, সেটা ক্লাবের সিদ্ধান্ত।” তাঁর এই মন্তব্যের পর চেতলা অগ্রণীর পুজো কমিটির সিদ্ধান্ত এবং তার রাজনৈতিক তাৎপর্য নিয়ে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
রাজ্যে ক্ষমতায় আসার পর থেকেই পুজো পরিচালনা নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী-সহ মন্ত্রিসভার একাধিক সদস্যের বক্তব্য সামনে এসেছে। তাঁদের বক্তব্যে বারবার উঠে এসেছে, দুর্গাপুজোর মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত দেবীর আরাধনা এবং তাতে স্থানীয় বাসিন্দাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ। পুজো কমিটিতে কোনও রাজনৈতিক নেতার নাম বা এলাকার বাইরের ব্যক্তিদের যুক্ত থাকা নিয়েও অতীতে আলোচনা হয়েছে।
এবার চেতলা অগ্রণীর উদ্বোধনে শুভেন্দু অধিকারীর উপস্থিতি এবং ফিরহাদ হাকিমের অনুপস্থিতি সেই বিতর্ককে আরও একবার সামনে নিয়ে এল। তবে ববির অনুপস্থিতির নির্দিষ্ট কারণ সম্পর্কে স্পষ্ট কোনও তথ্য সামনে আসেনি। আপাতত ক্লাবের সিদ্ধান্ত এবং মুখ্যমন্ত্রীর মন্তব্য ঘিরেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা অব্যাহত।




















