মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগ, গ্রেফতার অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মন

মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানোর অভিযোগ, গ্রেফতার অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মন

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য – রাজগঞ্জের অপসারিত বিডিও প্রশান্ত বর্মনকে গ্রেফতার করল বিধাননগর ইকো পার্ক থানার পুলিশ। তাঁর বিরুদ্ধে মদ্যপ অবস্থায় গাড়ি চালানো, দুর্ঘটনা ঘটানো এবং হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাকে ঘিরে ব্যাপক চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে এলাকায়।
সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া একটি ভিডিওতে দেখা যায়, একটি কালো মাহিন্দ্রা গাড়ির স্টিয়ারিংয়ে বসে রয়েছেন প্রশান্ত বর্মন। ভিডিও করা হচ্ছে বুঝতে পেরে প্রথমে তিনি ভিডিও বন্ধ করার চেষ্টা করেন। পরে দ্রুত মাস্ক দিয়ে মুখ ঢাকতেও দেখা যায় তাঁকে। গাড়ির সামনের অংশে ডেন্টও নজরে আসে ভিডিওতে।
অভিযোগ, প্রশান্ত বর্মনের গাড়ির ধাক্কায় এক ব্যক্তি গুরুতর জখম হন। ভিডিওতে দেখা গিয়েছে, আহত ব্যক্তির পায়ে গভীর চোট লেগেছে এবং রক্তপাতও হয়েছে। স্থানীয়দের দাবি, ধাক্কা খেয়ে ওই ব্যক্তি ছিটকে গিয়ে একটি বাইকের সামনে পড়ে যান। ঘটনাস্থলে উপস্থিতদের সঙ্গে প্রশান্ত বর্মনের বচসাও বাধে। ভিডিওতে তাঁকে গালিগালাজ ও হুমকি দিতেও শোনা যায়। যদিও সরাসরি ধাক্কা মারার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন তিনি।
পরিস্থিতি উত্তপ্ত হয়ে উঠতেই ঘটনাস্থলে পৌঁছয় পুলিশ। পরে পুলিশ হস্তক্ষেপ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং প্রশান্ত বর্মনকে গ্রেফতার করা হয়।
উল্লেখ্য, এর আগেও একাধিক গুরুতর অভিযোগে নাম জড়িয়েছিল প্রশান্ত বর্মনের। গত বছরের ২৯ অক্টোবর নিউটাউনের যাত্রাগাছির খালপাড় থেকে স্বপন কামিল্যার দেহ উদ্ধার হয়। অভিযোগ ওঠে, তাঁকে অপহরণ করে খুন করা হয়েছিল। সেই মামলায় মৃতের পরিবার প্রশান্ত বর্মনকেই মূল অভিযুক্ত বলে দাবি করে। এরপরই তাঁকে বিডিও পদ থেকে সরানো হয়।
প্রথমে বারাসত ও বিধাননগর আদালত থেকে আগাম জামিন পেলেও পরে হাইকোর্ট সেই জামিন খারিজ করে দেয় এবং নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেয়। আদালতের নির্দেশ সত্ত্বেও আত্মসমর্পণ না করায় তাঁর বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি হয়েছিল। পরে সুপ্রিম কোর্ট থেকেও আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেওয়া হলেও তিনি নির্ধারিত সময়ের মধ্যে হাজির হননি।
পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, চার্জশিটে তাঁকে ‘পলাতক’ হিসেবেও উল্লেখ করা হয়েছিল। যদিও গা-ঢাকা দেওয়া অবস্থাতেই প্রশান্ত বর্মন দাবি করেছিলেন, তাঁকে রাজনৈতিক উদ্দেশ্যে মিথ্যা মামলায় ফাঁসানো হচ্ছে এবং তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা সমস্ত অভিযোগ ভিত্তিহীন।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top