‘পোশাক পড়বে’ না ‘পোশাক পরবে’? বানান বিভ্রাটে বিতর্ক, সরানো হল সরকারি হোর্ডিং

‘পোশাক পড়বে’ না ‘পোশাক পরবে’? বানান বিভ্রাটে বিতর্ক, সরানো হল সরকারি হোর্ডিং

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য- একটি বানান ভুল ঘিরে তুমুল বিতর্ক ছড়াল শহর জুড়ে। ‘পরা’ আর ‘পড়া’ শব্দের ভুল ব্যবহারে সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হয়ে যায় একটি বিশাল সরকারি হোর্ডিং। শেষ পর্যন্ত বাড়তে থাকা সমালোচনা ও ট্রোলিংয়ের জেরে খুলে ফেলা হল সেই বিতর্কিত ব্যানার।
হোর্ডিংটিতে দেখা গিয়েছিল প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদী, মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী এবং নারী ও শিশুকল্যাণ মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পালের ছবি। সেখানে লেখা ছিল— “মেয়েরা যখন ইচ্ছা রাস্তায় বেরোবে। যতক্ষণ খুশি ঘুরবে। যেমন ইচ্ছে পোশাক পড়বে।” আর এই ‘পোশাক পড়বে’ শব্দবন্ধ নিয়েই শুরু হয় সমালোচনার ঝড়। কারণ পোশাক ‘পরা’ হয়, ‘পড়া’ নয়— এই সাধারণ ব্যাকরণগত ভুল নিয়েই সোশ্যাল মিডিয়ায় শুরু হয় কটাক্ষ ও ট্রোলিং।
বিতর্ক বাড়তেই মুখ খুলেছেন মন্ত্রী অগ্নিমিত্রা পাল। তিনি স্পষ্ট জানিয়েছেন, ওই হোর্ডিংয়ের সঙ্গে তাঁর দফতর বা দলের কোনও সম্পর্ক নেই। তাঁর বক্তব্য, কেউ বা কারা স্বতঃপ্রণোদিত হয়ে এই ব্যানার লাগিয়েছে। এমনকি তিনি প্রকাশ্যে আবেদনও জানিয়েছেন, এ ধরনের কাজ যেন আর না করা হয়।
মন্ত্রী আরও বলেন, এই ধরনের ভুল বিজ্ঞাপনের কারণে সাধারণ মানুষের মধ্যে বিভ্রান্তি তৈরি হচ্ছে এবং সরকার ও দলের ভাবমূর্তি ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। তাঁর মতে, যদি কোনও সরকারি প্রচার করা হয়, তা নির্দিষ্ট নিয়ম মেনেই দফতর বা দলের তরফে হওয়া উচিত। ব্যক্তিগত উদ্যোগে এমন বিভ্রান্তিকর হোর্ডিং লাগানো মোটেও গ্রহণযোগ্য নয়।
শহরের বিভিন্ন প্রান্তে এই ব্যানারের ছবি দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে। নেটমাধ্যমে অনেকেই বানান ভুল নিয়ে সরব হন। কেউ কেউ আবার রাজনৈতিক কটাক্ষও করতে শুরু করেন। পরিস্থিতি বুঝেই প্রশাসনিক স্তরে দ্রুত তৎপরতা শুরু হয় এবং প্রায় ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই সরিয়ে ফেলা হয় বিতর্কিত হোর্ডিংটি।
তবে হোর্ডিং সরানো হলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় এই বানান-বিতর্ক এখনও চর্চার কেন্দ্রবিন্দু হয়ে রয়েছে। রাজনৈতিক প্রচারে ভাষা ও বানানের গুরুত্ব নিয়েও নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top