রাজ্য – লোকসভায় All India Trinamool Congress-এর সংসদীয় দলের মুখ্যসচেতক পদ থেকে সরানো হল বারাসতের সাংসদ Kakoli Ghosh Dastidar-কে। তাঁর জায়গায় ফের মুখ্যসচেতকের দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে Kalyan Banerjee-কে। বৃহস্পতিবার কালীঘাটে নিজের বাড়িতে দলের সাংসদদের সঙ্গে বৈঠকে এই সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেন তৃণমূল সুপ্রিমো Mamata Banerjee।
এই রদবদলকে ঘিরে রাজনৈতিক মহলে ইতিমধ্যেই জোর চর্চা শুরু হয়েছে। রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের একাংশের মতে, কাকলি ঘোষদস্তিদারের পুত্র বৈদ্যনাথ ঘোষদস্তিদারের সাম্প্রতিক ‘বিদ্রোহী’ মন্তব্যের জেরেই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। সদ্য সমাপ্ত বিধানসভা ভোটে তৃণমূলের খারাপ ফলের পর সমাজমাধ্যমে দলীয় নেতৃত্বের কড়া সমালোচনা করেছিলেন বৈদ্যনাথ। শুধু তাই নয়, তিনি Communist Party of India (Marxist) নেতৃত্বের ভূয়সী প্রশংসাও করেছিলেন এবং দলের রাজ্য সম্পাদক Mohammed Salim-কে ধন্যবাদ জানিয়েছিলেন।
বৈদ্যনাথের ওই পোস্ট ঘিরে তৃণমূলকে যথেষ্ট অস্বস্তিতে পড়তে হয়েছিল। বিরোধী শিবিরও সেই পোস্ট তুলে ধরে তৃণমূলকে আক্রমণ করে। সূত্রের খবর, বিধানসভা ভোট চলাকালীন বারাসত এলাকায় কাকলির সাংগঠনিক ভূমিকাতেও সন্তুষ্ট ছিলেন না মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়।
উল্লেখ্য, গত বছরের অগস্ট মাসে আচমকাই লোকসভার মুখ্যসচেতক পদ থেকে ইস্তফা দিয়েছিলেন কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। এরপর তাঁর ইস্তফা গ্রহণ করে ওই পদে কাকলি ঘোষদস্তিদারকে বসানো হয়েছিল। একইসঙ্গে Sudip Bandyopadhyay-কে সরিয়ে Abhishek Banerjee-কে লোকসভায় তৃণমূলের পরিষদীয় দলনেতা করা হয়েছিল।
সাম্প্রতিক বিধানসভা নির্বাচনে বারাসত লোকসভা কেন্দ্রের অন্তর্গত সাতটি বিধানসভা আসনের মধ্যে মাত্র দু’টিতে জয় পেয়েছে তৃণমূল। বাকি পাঁচটি আসনে জয় পেয়েছে Bharatiya Janata Party। ফলাফল প্রকাশের পর থেকেই বারাসত সংগঠন নিয়ে দলের অন্দরে অসন্তোষ বাড়ছিল বলে রাজনৈতিক মহলের দাবি।
যদিও মুখ্যসচেতকের পদ হারানো নিয়ে এখনও প্রকাশ্যে কোনও মন্তব্য করেননি কাকলি ঘোষদস্তিদার।



















