সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে নিরবচ্ছিন্ন তথ্যভাণ্ডারের প্রয়োজন, আইএসআইকে উদ্যোগী হওয়ার আবেদন সুব্রত গুপ্তের

সরকারি প্রকল্প বাস্তবায়নে নিরবচ্ছিন্ন তথ্যভাণ্ডারের প্রয়োজন, আইএসআইকে উদ্যোগী হওয়ার আবেদন সুব্রত গুপ্তের

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



কলকাতা: প্রশাসনিক কাজে তথ্যভাণ্ডার বা ডেটাবেস থাকা এবং সেই তথ্যকে বাস্তবে কাজে লাগানোর মধ্যে বিস্তর ফারাক রয়েছে। জনকল্যাণমূলক প্রকল্পের সঠিক বাস্তবায়ন এবং রাজ্যের নীতি নির্ধারণের ক্ষেত্রে তৃণমূল স্তর থেকে নিরবচ্ছিন্ন তথ্য সরবরাহ অত্যন্ত জরুরি। আইএসআই কনক্লেভে তথ্যভাণ্ডারের কার্যকারিতা নিয়ে বক্তব্য রাখতে গিয়ে এমনই মত প্রকাশ করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর উপদেষ্টা সুব্রত গুপ্ত। এই কাজে ইন্ডিয়ান স্ট্যাটিস্টিক্যাল ইনস্টিটিউটকে (আইএসআই) বিশেষ ভূমিকা নেওয়ার আবেদনও জানান তিনি।

বুধবার কনক্লেভে অংশ নিয়ে নিজের কর্মজীবনের প্রথম দিকের একাধিক অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরেন এই আমলা। জলপাইগুড়ির একটি ঘটনার উল্লেখ করে তিনি জানান, একবার প্রায় ৩০০ জন স্কুলশিক্ষকের হিসাব দিয়ে সরকার জানতে চেয়েছিল, কোন এলাকায় কীভাবে তাঁদের নিয়োগ করা যেতে পারে। কিন্তু শহর ও আধা শহরাঞ্চলের বাস্তব পরিস্থিতি বিবেচনা করতে গিয়ে নানা সমস্যার মুখে পড়তে হয়েছিল প্রশাসনকে।

সুব্রত গুপ্তের কথায়, “তৃণমূল স্তরের বাস্তব চিত্র সব সময় প্রশাসনের উপরতলায় থাকে না। তখন সমস্যা হয়। এই কারণেই নিরবচ্ছিন্ন তথ্যের দরকার। জিএসটি, শিল্প, অর্থ দপ্তরের নিজস্ব ডেটা প্যাটার্ন থাকে। কিন্তু সবগুলোকে চট করে এক জায়গায় করা যায় না। এখানেই আইএসআইকে দরকার। সব তথ্য এক জায়গায় করার জন্য আপনারা উদ্যোগ নিন।”

একইভাবে বর্ধমানে শ্যালো টিউবওয়েল বসানোর সিদ্ধান্তের ক্ষেত্রেও নিচুতলা থেকে পর্যাপ্ত তথ্য না পাওয়ায় সমস্যা তৈরি হয়েছিল বলে জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য, এমন একটি জমির তথ্য সামনে এসেছিল, যেখানে চাষের জন্য অতিরিক্ত জল তোলা হলে আর্সেনিকের আতঙ্ক তৈরি হওয়ার আশঙ্কা ছিল। মন্তেশ্বরেও একই ধরনের পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হয়েছিল।

এই অভিজ্ঞতার কথা তুলে ধরে সুব্রত গুপ্ত বলেন, “এগুলো চ্যালেঞ্জ। সব সময় সব তথ্য এক জায়গায় করা আর সেগুলোকে ব্যবহার করার মতো পরিস্থিতি তৈরি করুক আইএসআই।”

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top