সোনা পাপ্পু আর্থিক তছরুপ মামলায় ইডির বড় অভিযান, কলকাতায় তল্লাশিতে নগদ-সোনা উদ্ধার

সোনা পাপ্পু আর্থিক তছরুপ মামলায় ইডির বড় অভিযান, কলকাতায় তল্লাশিতে নগদ-সোনা উদ্ধার

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


কলকাতা – আর্থিক তছরুপের অভিযোগে বিশ্বজিৎ পোদ্দার ওরফে সোনা পাপ্পুকে ঘিরে তদন্তে ফের বড় পদক্ষেপ নিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ED)। কলকাতার একাধিক জায়গায় তল্লাশি চালিয়ে নগদ টাকা, সোনার গয়না এবং গুরুত্বপূর্ণ নথি বাজেয়াপ্ত করেছে কেন্দ্রীয় তদন্তকারী সংস্থা। তদন্তকারীদের দাবি, এই মামলার সূত্র ধরেই উঠে এসেছে বড় আর্থিক লেনদেন এবং সম্ভাব্য হাওয়ালা চক্রের ইঙ্গিত।
ইডি সূত্রে জানা গিয়েছে, রবিবার কলকাতার তিনটি পৃথক জায়গায় একযোগে তল্লাশি অভিযান চালানো হয়। আনন্দপুর ও আলিপুর এলাকায় দুই ব্যবসায়ীর বাড়িসহ মোট তিনটি স্থানে এই অভিযান চলে। তল্লাশিতে প্রায় ১০ লক্ষ টাকা নগদ, সোনার গয়না, গুরুত্বপূর্ণ নথি এবং একাধিক ডিজিটাল ডিভাইস উদ্ধার করা হয়েছে বলে দাবি তদন্তকারীদের।
ইডির (Enforcement Directorate) বক্তব্য অনুযায়ী, উদ্ধার হওয়া নথির মধ্যে এমন কিছু তথ্য রয়েছে যা একাধিক ব্যক্তির সঙ্গে আর্থিক লেনদেনের সম্পর্ক ও সম্ভাব্য রাজনৈতিক যোগসূত্রের ইঙ্গিত দিচ্ছে। যদিও এই বিষয়ে এখনই বিস্তারিত কিছু জানায়নি তদন্তকারী সংস্থা।
এই মামলায় এখনও পর্যন্ত মূল অভিযুক্ত সোনা পাপ্পুকে গ্রেপ্তার করা যায়নি। তবে তাঁর ঘনিষ্ঠ সহযোগী হিসেবে পরিচিত ব্যবসায়ী জয় কামদারকে আগেই গ্রেপ্তার করেছে ইডি। বর্তমানে তিনি ইডি হেফাজতে রয়েছেন এবং তাঁর জিজ্ঞাসাবাদ চলছে। মঙ্গলবার তাঁর হেফাজতের মেয়াদ শেষ হওয়ার কথা রয়েছে।
তদন্তে উঠে এসেছে, জয় কামদার এবং সোনা পাপ্পুর মধ্যে ঘনিষ্ঠ আর্থিক সম্পর্ক ছিল এবং মোটা অঙ্কের টাকার লেনদেন হয়েছে। ইডির আরও অভিযোগ, জয় কামদার সোনা পাপ্পুর স্ত্রীর কাছে আগ্নেয়াস্ত্র পাঠিয়েছিলেন, যার কোনও বৈধ নথি পাওয়া যায়নি।
এছাড়া তদন্তকারীদের দাবি, একাধিক ভুয়ো সংস্থা ব্যবহার করে হাওয়ালা লেনদেন চালানো হচ্ছিল বলে সন্দেহ করা হচ্ছে। সেই সূত্র ধরেই পুরো আর্থিক নেটওয়ার্ক খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং আরও ব্যক্তির নাম উঠে আসতে পারে বলে ইঙ্গিত দিয়েছে ইডি।
সব মিলিয়ে এই আর্থিক তছরুপ মামলায় নতুন তথ্য সামনে আসায় তদন্ত আরও বিস্তৃত হচ্ছে বলে মনে করছেন আধিকারিকরা।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top