রাজ্য – রাজ্যের সব শ্রেণির মানুষের কথা মাথায় রেখে অন্তর্বর্তী বাজেট পেশ করেছে রাজ্য সরকার। মহিলা, যুবসমাজ, সরকারি কর্মী থেকে শুরু করে কৃষক—সকলের জন্য অর্থমন্ত্রী চন্দ্রিমা ভট্টাচার্য যে ঘোষণা করেছেন, তাতে রাজ্যের বিভিন্ন মহলে ইতিবাচক প্রতিক্রিয়া মিলেছে। এবার সেই অন্তর্বর্তী বাজেট নিয়েই বিধানসভায় শুরু হচ্ছে আলোচনা। শুক্রবার মুখ্যমন্ত্রী বিধানসভায় উপস্থিত না থাকলেও বাজেট আলোচনা চলবে বলেই জানা গিয়েছে।
বাজেট অধিবেশন নিয়ে প্রথমদিকে অনিহার ছবি ধরা পড়েছিল বিরোধী শিবিরে। বিধানসভায় উপস্থিত থেকেও অধিবেশনের শুরুতে আলোচনায় যোগ দেননি বিরোধী দলনেতা শুভেন্দু অধিকারী। তা নিয়ে রাজনৈতিক মহলে বিতর্কও তৈরি হয়েছিল। তবে বিজেপি সূত্রে খবর, শুক্রবার থেকে বাজেট আলোচনায় সক্রিয়ভাবে অংশ নেবেন বিরোধী দলনেতা।
রাজ্য সরকারের পেশ করা বাজেট দেখে কার্যত চাপে বিরোধী দলগুলি। তৃণমূল কংগ্রেস যেভাবে বাজেট পেশ করে রাজ্যের মানুষের আস্থা অর্জন করেছে, তাতে বিরোধীদের কৌশল নিয়েই প্রশ্ন উঠছে। বিশেষ করে লক্ষ্মীর ভাণ্ডার প্রকল্পে বরাদ্দ বৃদ্ধির ঘোষণার পর বিরোধী শিবিরে শুরু হয়েছে পাল্টা মন্তব্য।
বিজেপি থেকে শুরু করে আইএসএফ বিধায়ক নওশাদ সিদ্দিকি পর্যন্ত একাধিক বিরোধী নেতা দাবি করেছেন, ভবিষ্যতে ক্ষমতায় এলে তাঁরা এই খাতে বরাদ্দ আরও বাড়াবেন। তবে বাস্তবে বাজেট আলোচনায় বিরোধীরা কী ভূমিকা নেন, অধিবেশন কতটা সচল রাখেন এবং সরকারকে কীভাবে প্রশ্নের মুখে ফেলেন—সেই দিকেই নজর থাকবে রাজনৈতিক মহলের। শুক্রবার থেকেই সেই ছবিটা স্পষ্ট হতে চলেছে।



















