যুবভারতীতে গোলবন্যা, মহমেডানকে ৭-০ উড়িয়ে দিল ইস্টবেঙ্গল

যুবভারতীতে গোলবন্যা, মহমেডানকে ৭-০ উড়িয়ে দিল ইস্টবেঙ্গল

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


খেলা- ভোটের আবহে কলকাতার ফুটবল মঞ্চে উত্তেজনার পারদ আরও চড়ল, আর সেই আবহেই দাপুটে পারফরম্যান্সে বড় বার্তা দিল East Bengal FC। নিজেদের মরশুমের ষষ্ঠ ম্যাচে চিরপ্রতিদ্বন্দ্বী Mohammedan Sporting Club-এর বিরুদ্ধে নামতেই শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক মেজাজে দেখা যায় লাল-হলুদ শিবিরকে। লক্ষ্য ছিল স্পষ্ট—জয় তুলে লিগ টেবিলে উপরের দিকে উঠে আসা, আর সেই লক্ষ্য পূরণে কোনও খামতি রাখেনি তারা।
সোমবার, ২৩ মার্চ Salt Lake Stadium-এ খেলা শুরুর পর থেকেই ইস্টবেঙ্গলের আক্রমণের ঝাঁজ চোখে পড়ে। ম্যাচের মাত্র ৬ মিনিটের মাথায় আনোয়ারের জোরালো শটে গোল করে ১-০ ব্যবধানে এগিয়ে যায় দল। গোলের পর আত্মবিশ্বাস আরও বাড়ে, এবং প্রতিপক্ষের উপর চাপ বাড়াতে থাকে অস্কার ব্রিগেড। ১৪ মিনিটে সেই চাপের ফল মেলে, যখন পেনাল্টি থেকে ইউসেফ ঠান্ডা মাথায় গোল করে ব্যবধান ২-০ করেন।
প্রথমার্ধের শেষদিকে ম্যাচে আসে বড় মোড়। ৩৫ মিনিটে আরও একটি পেনাল্টি পায় ইস্টবেঙ্গল, যা ঘিরে রেফারির সঙ্গে তীব্র বিতর্কে জড়িয়ে পড়েন মহমেডানের জোসেফ। পরপর হলুদ ও লাল কার্ড দেখে মাঠ ছাড়তে বাধ্য হন তিনি, ফলে সংখ্যায় পিছিয়ে পড়ে মহমেডান। সেই সুযোগ কাজে লাগিয়ে সাওন পেনাল্টি থেকে তৃতীয় গোল করেন। ৩-০ ব্যবধানে প্রথমার্ধ শেষ করে কার্যত ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ পুরোপুরি নিজেদের হাতে তুলে নেয় ইস্টবেঙ্গল।
দ্বিতীয়ার্ধে আরও ভয়ংকর হয়ে ওঠে লাল-হলুদ শিবির। ৫৫ মিনিটে ইউসেফ নিজের দ্বিতীয় গোল করে স্কোরলাইন ৪-০ করেন। এরপর কোচ অস্কারের একাধিক পরিবর্তনে দল আরও তরতাজা হয়ে ওঠে এবং আক্রমণের ধার আরও বেড়ে যায়। ৭৫ মিনিটে বিষ্ণুর গোলে ব্যবধান দাঁড়ায় ৫-০। তার মাত্র চার মিনিট পর আনোয়ার নিজের দ্বিতীয় গোল করে স্কোরলাইন ৬-০ করেন।
খেলার অতিরিক্ত সময়ে ৯৫ মিনিটে শেখরের গোল ম্যাচের শেষ পেরেক ঠুকে দেয়। ৭-০ ব্যবধানে এই বিশাল জয় শুধু তিন পয়েন্টই এনে দেয়নি, বরং লিগে নিজেদের শক্তিরও স্পষ্ট প্রমাণ দিয়েছে ইস্টবেঙ্গল। পরিকল্পিত আক্রমণ, নিখুঁত ফিনিশিং এবং কোচের কৌশল—সব মিলিয়ে একেবারে পূর্ণাঙ্গ ফুটবল উপহার দেয় লাল-হলুদ শিবির।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top