রাজ্য – বিধানসভা নির্বাচনের আগে কলকাতায় এসে বড় রাজনৈতিক বার্তা দিলেন আসাউদ্দিন ওয়েইসি। অল ইন্ডিয়া মজলিস-ই-ইত্তেহাদুল মুসলিমিন (AIMIM)-এর প্রধান কলকাতা বিমানবন্দরে পৌঁছন এবং তাঁর সঙ্গে ছিলেন হুমায়ুন কবীর। বিমানবন্দরে নেমেই সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে ওয়েইসি জানান, খুব শিগগিরই সাংবাদিক বৈঠক করে আনুষ্ঠানিকভাবে জোটের ঘোষণা করা হবে এবং হুমায়ুন কবীরের দলের সঙ্গে মিলেই তারা নির্বাচনে লড়বেন।
নির্বাচনের প্রাক্কালে অনেকেই মনে করেছিলেন, হুমায়ুন কবীর বামফ্রন্ট বা আইএসএফের সঙ্গে জোট করতে পারেন। কিন্তু সেই জল্পনায় জল ঢেলে রবিবারই আসাউদ্দিন ওয়েইসি ঘোষণা করেন, পশ্চিমবঙ্গে তাঁর দলের সঙ্গে জোট গড়েই ভোটে লড়বে হুমায়ুনের দল। আগামী বুধবার এই জোট নিয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা হওয়ার কথা রয়েছে।
এরই মধ্যে মুর্শিদাবাদের রেজিনগর থেকে নিজের দলীয় কার্যালয় থেকে ১৫৩ জন প্রার্থীর নাম ঘোষণা করেছেন হুমায়ুন কবীর। তিনি জানিয়েছেন, তাঁর দলের কোনও সংখ্যালঘু প্রার্থী নন্দীগ্রাম ও ভবানীপুর—এই দুই গুরুত্বপূর্ণ কেন্দ্রে যথাক্রমে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং শুভেন্দু অধিকারী-এর বিরুদ্ধে লড়াই করবেন না।
এছাড়াও বিভিন্ন কেন্দ্রে প্রার্থী ঘোষণা করা হয়েছে। রাণীনগরে তৃণমূল প্রার্থী সৌমিক হোসেনের বিরুদ্ধে লড়বেন ইয়াসের, আর রতপুর কেন্দ্রে প্রার্থী করা হয়েছে পিরজাদা খোয়ায়েব আমিনকে। ফলে রাজ্যের বিভিন্ন আসনে এই নতুন জোট কীভাবে প্রভাব ফেলবে, তা নিয়ে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে চর্চা শুরু হয়েছে।
উল্লেখ্য, নিজের নতুন রাজনৈতিক দল গঠনের পর থেকেই একাধিক প্রশাসনিক সমস্যার মুখোমুখি হয়েছেন হুমায়ুন কবীর। তাঁর দলের নাম প্রথমে ‘জনতা উন্নয়ন পার্টি’ হলেও, সেই নামে আগেই একটি দল নির্বাচন কমিশনে নথিভুক্ত থাকায় নাম পরিবর্তন করতে হয়। বর্তমানে তাঁর দলের নাম ‘আম জনতা উন্নয়ন পার্টি’। নির্বাচন কমিশন-এ দলের নিবন্ধন সম্পন্ন হলেও এখনও প্রতীক চূড়ান্ত হয়নি।




















