রাজ্য – অবাধ ও শান্তিপূর্ণ ভোটের প্রস্তুতির মধ্যেই রাজ্যের প্রশাসনিক ও পুলিশ কাঠামোয় বড়সড় রদবদল শুরু করেছে Election Commission of India। এই পদক্ষেপকে ঘিরে ইতিমধ্যেই রাজনৈতিক মহলে তীব্র বিতর্ক তৈরি হয়েছে। ‘বিজেপি-ঘনিষ্ঠ’ অভিযোগে অভিযুক্ত নির্বাচন কমিশনার Gyanesh Kumar-এর নেতৃত্বে রবিবার ফের একদফা বদলি করা হয়েছে, যেখানে রাজ্যের মোট ১৭০টি থানার ওসি-কে সরানো হয়েছে।
এই রদবদলের মধ্যে রয়েছে মুখ্যমন্ত্রী Mamata Banerjee-এর কেন্দ্র ভবানীপুর এবং বিরোধী দলনেতা Suvendu Adhikari-র কেন্দ্র নন্দীগ্রাম। সূত্রের দাবি, বিজেপির অভিযোগের ভিত্তিতেই এই ব্যাপক রদবদল করা হয়েছে এবং নতুন করে দায়িত্বে আনা হয়েছে ‘গেরুয়া ঘনিষ্ঠ’ আধিকারিকদের—যদিও এই অভিযোগ নিয়ে শুরু হয়েছে রাজনৈতিক তরজা।
ভোটের নির্ঘণ্ট ঘোষণার পর থেকেই রাজ্যে প্রশাসনিক পরিবর্তনের সূচনা করে Election Commission of India। গভীর রাতে বদলি করা হয় মুখ্যসচিব নন্দিনী চক্রবর্তী এবং স্বরাষ্ট্র সচিব জগদীশ প্রসাদ মীণাকে। এরপর একে একে সরানো হয় রাজ্য পুলিশের ডিজি পীযূষ পাণ্ডে, কলকাতা পুলিশের কমিশনার সুপ্রতিম সরকার-সহ একাধিক এডিজি, আইজি ও ডিআইজি পদাধিকারীকে। পাশাপাশি একাধিক জেলার পুলিশ সুপার, জেলাশাসক এবং রিটার্নিং অফিসারদেরও বদলি করা হয়েছে।
রবিবার রাতের এই নতুন দফার রদবদলে কলকাতার ভবানীপুর, পূর্ব মেদিনীপুরের নন্দীগ্রাম ছাড়াও Sitalkuchi-র মতো গুরুত্বপূর্ণ থানাগুলিতেও ওসি পরিবর্তন করা হয়েছে। নন্দীগ্রাম থানার নতুন ওসি হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন শুভব্রত নাথ। এছাড়াও কাঁথি, খেজুরি, চণ্ডীপুর, হলদিয়া, কোলাঘাট, তমলুক, এগরা ও পটাশপুর-সহ একাধিক থানায় নতুন ওসি নিয়োগ করা হয়েছে।
উল্লেখযোগ্যভাবে, কয়েকদিন আগেই ভবানীপুর থানায় গিয়ে পুলিশকে কড়া ভাষায় তিরস্কার করেছিলেন Suvendu Adhikari। সেই ঘটনার পরপরই সংশ্লিষ্ট ওসিকে সরানো নিয়ে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে বিতর্ক দানা বেঁধেছে।
ভোটের আগে এই ধারাবাহিক প্রশাসনিক রদবদলকে কেন্দ্র করে রাজ্য রাজনীতিতে উত্তাপ আরও বাড়ছে বলেই মনে করছেন বিশ্লেষকরা।




















