বিনোদন – “যে রাঁধে, সে চুলও বাঁধে”—এই প্রবাদকে আরও একবার বাস্তবে মিলিয়ে দিলেন মুখ্যমন্ত্রী তথা তৃণমূল সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। প্রশাসনিক দায়িত্ব সামলানোর পাশাপাশি তিনি যেমন সাংস্কৃতিক জগতের সঙ্গে যুক্ত থাকেন, তেমনই অভিনয়শিল্পীদের সঙ্গেও তাঁর ঘনিষ্ঠ সম্পর্ক বারবার উঠে এসেছে। ভোট প্রচারের শেষ পর্যায়েও সেই চিত্রই ধরা পড়ল, যেখানে ছোট ও বড় পর্দার একাধিক অভিনেতা তাঁর সমর্থনে প্রচারে অংশ নেন।
এই তালিকায় ছিলেন অভিনেতা দিব্যজ্যোতি দত্তও। ‘লহ গৌরাঙ্গের নাম রে’ ছবিতে শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর চরিত্রে অভিনয় করে তিনি সম্প্রতি আলোচনায় আসেন। শেষ দফার প্রচারে তাঁকে পাশে দেখে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় অভিনেতাদের জীবন ও কষ্ট নিয়ে নিজের মত প্রকাশ করেন।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বলেন, অভিনয়ের প্রয়োজনে কখনও তাঁদের ওজন বাড়াতে হয়, আবার কখনও একেবারে দ্রুত ওজন কমাতে হয়—এই ওঠানামার কারণে অভিনেতাদের জীবন অত্যন্ত কঠিন। তাঁর কথায়, “ওদের একটা সিনেমার জন্য অনেক সময় মোটা হতে বলা হয়, আবার চরিত্রের প্রয়োজনে একেবারে রোগা হতে হয়। খাওয়া বন্ধ করে কষ্ট করতে হয়। খুব কষ্টের জীবন ওদের।”
মুখ্যমন্ত্রীর নজরে আসে দিব্যজ্যোতি দত্তের শারীরিক পরিবর্তনও। জানা যায়, শ্রীচৈতন্য মহাপ্রভুর চরিত্রে অভিনয়ের জন্য তিনি প্রায় ২০ কেজির বেশি ওজন কমিয়েছেন। তাঁর এই রূপান্তরই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের প্রেক্ষাপট তৈরি করে।
দীর্ঘদিন ধরে টেলিভিশন ও চলচ্চিত্রে কাজ করা দিব্যজ্যোতি দত্ত সম্প্রতি বড়পর্দায় অভিষেক করেন এই ঐতিহাসিক চরিত্রের মাধ্যমে। তাঁর পরিশ্রম ও শারীরিক পরিবর্তন ইতিমধ্যেই দর্শকমহলে প্রশংসা কুড়িয়েছে।
সব মিলিয়ে, ভোট প্রচারের মঞ্চে রাজনৈতিক বার্তার পাশাপাশি উঠে এল অভিনয় জগতের কঠিন বাস্তব ও শিল্পীদের জীবনের লড়াইয়ের প্রসঙ্গও।




















