প্রথম দফার ভোটে সিপিএমের ফল নিয়ে ধোঁয়াশা, শূন্যের গেরো কাটবে কি না প্রশ্নেই আলিমুদ্দিন

প্রথম দফার ভোটে সিপিএমের ফল নিয়ে ধোঁয়াশা, শূন্যের গেরো কাটবে কি না প্রশ্নেই আলিমুদ্দিন

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য – প্রথম দফার ভোটে সিপিএম কতটা সাফল্য পাবে, তা নিয়ে এখনই নিশ্চিত নয় আলিমুদ্দিন। গ্রাম বাংলায় বিশেষ নজর দিয়ে প্রচার চালানো হলেও তার সুফল ভোট বাক্সে কতটা মিলবে, কিংবা দীর্ঘদিনের শূন্যের গেরো কাটবে কি না, তা নিয়ে দলের অন্দরে যথেষ্ট সংশয় রয়েছে। ফলে প্রথম দফার ১৫২টি আসনের ফলাফল নিয়ে ইতিমধ্যেই বুথভিত্তিক বিশদ সমীক্ষা শুরু করেছে রাজ্য সিপিএম নেতৃত্ব।
প্রথম দফায় রাজ্যের ১৬টি জেলার ১৫২টি আসনে ভোটগ্রহণ হয়েছে। এর মধ্যে উত্তরবঙ্গের প্রায় সব জেলাই রয়েছে, পাশাপাশি মুর্শিদাবাদ, বীরভূম, পশ্চিম বর্ধমান এবং পূর্ব মেদিনীপুরেও ভোট সম্পন্ন হয়েছে। ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের হিসেবে এই ১৫২টি আসনের মধ্যে তৃণমূল ৯২টি এবং বিজেপি ৫৯টি আসনে জয়ী হয়েছিল, আর বাম-কংগ্রেস শূন্য ছিল। তবে লোকসভা নির্বাচনের নিরিখে কিছু পরিবর্তনের ইঙ্গিত মিলেছিল—মালদহ, মুর্শিদাবাদ ও উত্তর দিনাজপুরের ১১টি বিধানসভায় কংগ্রেস এগিয়েছিল এবং বামরা এগিয়েছিল একটি আসনে। কিন্তু এবার কংগ্রেস আলাদা অবস্থানে না থাকায় বামদের হিসাব নতুন করে করতে হচ্ছে।
সিপিএম এই দফার ভোটে কিছু নির্দিষ্ট আসনকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়েছিল। গ্রামবাংলায় সংগঠন মজবুত করার পাশাপাশি ‘বাংলা বাঁচাও যাত্রা’ যেসব এলাকা দিয়ে গিয়েছে, সেই আসনগুলিতে বেশি জোর দেওয়া হয়েছে। বিশেষ করে বাঁকুড়া, পুরুলিয়া, বর্ধমানের কিছু অংশ এবং মুর্শিদাবাদের কয়েকটি আসনকে লক্ষ্য করে প্রচার চালানো হয়। দলের প্রাথমিক ধারণা, কিছু গ্রামীণ আসনে ভোটের হার বাড়তে পারে এবং সংখ্যালঘু অধ্যুষিত এলাকায় আইএসএফ সমর্থনের কারণে ফল কিছুটা ভালো হতে পারে।
অন্যদিকে দ্বিতীয় দফার জন্যও হুগলি, নদিয়া, উত্তর ২৪ পরগনা, যাদবপুর, দমদম, কামারহাটি, পানিহাটি ও উত্তরপাড়ার মতো আসনগুলিতে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছিল। এই সব এলাকায় শুরু থেকেই সভা-মিছিল এবং সংগঠন মজবুত করার উপর জোর দেওয়া হয়। মোট ৫০ থেকে ৬০টি আসনকে দুই দফায় ‘টার্গেট জোন’ হিসেবে চিহ্নিত করেছিল দল।
তবে প্রথম দফার ভোট শেষ হলেও এখন পর্যন্ত যে প্রাথমিক রিপোর্ট এসেছে, তাতে সিপিএমের শীর্ষ নেতৃত্ব খুব একটা আশাবাদী নয়। নিচুতলা থেকে বুথভিত্তিক যে রিপোর্ট সংগ্রহ করা হচ্ছে, তাতে এখনও পর্যন্ত শূন্যের গেরো কাটার স্পষ্ট ইঙ্গিত মিলছে না বলেই দলীয় সূত্রের দাবি। আগামী বুধবার দ্বিতীয় দফার ভোটের আগে এই ফল বিশ্লেষণ করে পরবর্তী কৌশল ঠিক করবে আলিমুদ্দিন।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top