দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে প্রচার শেষ করে অডিও বার্তায় বাংলাকে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

দ্বিতীয় দফা ভোটের আগে প্রচার শেষ করে অডিও বার্তায় বাংলাকে বার্তা দিলেন প্রধানমন্ত্রী মোদি

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


প্রধানমন্ত্রী -দ্বিতীয় দফার নির্বাচনের আগে সোমবার শেষ হল রাজনৈতিক প্রচার। শেষ র‍্যালি সম্পন্ন করে রাজ্য ছাড়ার পরই ভোটের আগে বাংলার জনগণের উদ্দেশ্যে বিশেষ অডিও বার্তা দেন প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি। সেখানে তিনি বাংলার মানুষের প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন এবং নির্বাচনী অভিজ্ঞতা নিয়ে নিজের অনুভূতির কথা তুলে ধরেন।
অডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী বলেন, বাংলায় প্রচার চলাকালীন তিনি এক “অন্য ধরনের শক্তি” অনুভব করেছেন। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, একাধিক র‍্যালি ও রোড শো করার পরও তিনি কোনও ক্লান্তি অনুভব করেননি। তিনি আরও বলেন, বাংলার মানুষের মধ্যে পরিবর্তনের এক স্পষ্ট আকাঙ্ক্ষা তৈরি হয়েছে এবং সাধারণ মানুষের কথাতেও সেই ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।
মোদি তাঁর বার্তায় বলেন, “অনেক ভয় পেয়েছেন, অনেক হয়েছে, এখন আর ভয় নয়, এখন ভরসা চাই।” তিনি দাবি করেন, বাংলার জনগণের সংকল্পই এখন পরিবর্তনের দিকে এগোচ্ছে।
এক্স (X)-এ দেওয়া পোস্টের লিঙ্কও তিনি শেয়ার করেন, যেখানে নির্বাচনী প্রক্রিয়া ও প্রচার নিয়ে তাঁর বার্তা তুলে ধরা হয়েছে। প্রচার শেষ হওয়ার সময় উল্লেখ করে তিনি জানান, বিকেল ৫টায় তাঁর নির্বাচনী প্রচার আনুষ্ঠানিকভাবে শেষ হয়েছে এবং শেষ র‍্যালিও সম্পন্ন হয়েছে।
উল্লেখ্য, ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের পরেও বিজেপি নেতৃত্ব বাংলায় ক্ষমতায় আসার জন্য ব্যাপক প্রচেষ্টা চালিয়েছিল। এবার ২০২৬-এর নির্বাচনেও কেন্দ্রীয় নেতৃত্বকে একাধিক রাজ্য থেকে এনে টানা প্রচার চালাতে দেখা গেছে। অমিত শাহসহ বিজেপির শীর্ষ নেতৃত্ব দীর্ঘ সময় ধরে রাজ্যে উপস্থিত ছিলেন এবং বিভিন্ন জায়গায় সভা করেছেন।
এবারের প্রচার পর্বে বিজেপি শাসিত বিভিন্ন রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী ও কেন্দ্রীয় নেতারাও সক্রিয়ভাবে অংশ নেন। রাজনৈতিক মহলের মতে, এই ব্যাপক প্রচার কৌশলকে ঘিরে বিজেপি বাংলায় শাসনক্ষমতা দখলের জন্য মরিয়া চেষ্টা চালাচ্ছে।
অডিও বার্তায় প্রধানমন্ত্রী আরও বলেন, বাংলার সেবা করা এবং নিরাপত্তা নিশ্চিত করা তাঁর দায়িত্বের অংশ। তিনি আত্মবিশ্বাস প্রকাশ করে বলেন, ভবিষ্যতে বাংলায় বিজেপি সরকার গঠনের পর শপথগ্রহণের মুহূর্তকে তিনি উৎসবের মতো উদযাপন করতে চান।
সব মিলিয়ে, ভোটের আগে প্রচার শেষ হওয়ার পর প্রধানমন্ত্রীর এই বার্তা রাজনৈতিকভাবে তাৎপর্যপূর্ণ বলেই মনে করছেন পর্যবেক্ষকরা। এখন নজর দ্বিতীয় দফার ভোটের দিকে, যেখানে রাজ্যের রাজনৈতিক সমীকরণ কোন দিকে যায়, তা নিয়ে কৌতূহল তুঙ্গে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top