দক্ষিন চব্বিশ পরগনা – দক্ষিণ ২৪ পরগনার ফলতা এলাকার আলোচিত রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব জাহাঙ্গির খানকে ঘিরে তদন্তে নতুন অগ্রগতি ঘটেছে। রবিবার পাঁচ দিনের প্রথম দফার পুলিশি হেফাজত শেষ হওয়ার পর তাঁকে ডায়মন্ড হারবার এসিজেএম আদালতে পেশ করা হয়। তদন্তের স্বার্থে আরও তথ্য ও প্রমাণ সংগ্রহের প্রয়োজন রয়েছে বলে আদালতের কাছে অতিরিক্ত সময় চেয়ে আবেদন করে পুলিশ।
পুলিশের আবেদনে সাড়া দিয়ে আদালত জাহাঙ্গির খানকে আরও ছয় দিনের পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দিয়েছে। তদন্তকারী সংস্থার দাবি, তাঁর বিরুদ্ধে ওঠা একাধিক অভিযোগের বিভিন্ন দিক এখনও খতিয়ে দেখা হচ্ছে এবং ঘটনার সঙ্গে জড়িত অন্যান্য সম্ভাব্য ব্যক্তিদের সম্পর্কেও তথ্য সংগ্রহ করা প্রয়োজন।
এদিন আদালতে আনা ও নিয়ে যাওয়ার সময় জাহাঙ্গির খানকে পুলিশি নিরাপত্তার মধ্যে দেখা যায়। সেই সময় তাঁকে হাতজোড় করে থাকতে এবং উপস্থিত মানুষের উদ্দেশে ক্ষমা প্রার্থনার ভঙ্গি করতে দেখা যায় বলে প্রত্যক্ষদর্শীদের দাবি। এই দৃশ্য স্থানীয় রাজনৈতিক মহলে বিশেষভাবে আলোচনার বিষয় হয়ে উঠেছে।
উল্লেখ্য, জাহাঙ্গির খান দীর্ঘদিন ধরে ফলতা অঞ্চলের প্রভাবশালী রাজনৈতিক নেতা হিসেবে পরিচিত ছিলেন। তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ ওঠার পর তদন্ত শুরু হয়। কলকাতা হাইকোর্ট থেকে আইনি সুরক্ষা প্রত্যাহার হওয়ার পর তিনি আত্মগোপন করেন বলে অভিযোগ।
পরবর্তীতে উত্তরবঙ্গের ভারত-নেপাল সীমান্ত সংলগ্ন এলাকা থেকে রাজ্য পুলিশের স্পেশ্যাল টাস্ক ফোর্স (এসটিএফ) তাঁকে গ্রেফতার করে। এরপর থেকেই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ চালিয়ে যাচ্ছে তদন্তকারী সংস্থা।
তদন্তকারী মহলের মতে, মামলার একাধিক গুরুত্বপূর্ণ তথ্য এখনও সংগ্রহের পর্যায়ে রয়েছে। সেই কারণেই পুলিশি হেফাজতের মেয়াদ বৃদ্ধির আবেদন করা হয়েছিল। আগামী কয়েকদিনের জিজ্ঞাসাবাদে আরও গুরুত্বপূর্ণ তথ্য সামনে আসতে পারে বলে মনে করা হচ্ছে।



















