রাজ্য – বাংলায় শিল্প ও বিনিয়োগ বাড়াতে শিল্পপতিদের ফের আহ্বান জানালেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, পশ্চিমবঙ্গে বিনিয়োগের জন্য প্রয়োজনীয় সমস্ত সম্পদ ও সম্ভাবনা রয়েছে। শিল্পপতিদের উদ্দেশে তাঁর বার্তা, নির্দিষ্ট প্রকল্প ও এলাকার প্রস্তাব নিয়ে এগিয়ে এলে রাজ্য সরকার প্রয়োজনীয় সব ধরনের সহযোগিতা করবে।
শনিবার সন্ধ্যায় আলিপুর নাগরিক সমিতি আয়োজিত ‘অভিনন্দন সমারোহ’ অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “বাংলায় সমস্ত সম্পদ রয়েছে। আপনারা প্রস্তাব নিয়ে আসুন, কোথায় বিনিয়োগ করতে চান তা চিহ্নিত করে জানান এবং কী ধরনের সরকারি সহায়তা প্রয়োজন সেটাও বলুন। আমরা চাই পশ্চিমবঙ্গে আরও বেশি বিনিয়োগ হোক।”
নিজের বক্তব্যে তিনি রাজ্যের প্রশাসনিক ও জাতীয় নিরাপত্তা সংক্রান্ত একাধিক বিষয়ও তুলে ধরেন। সীমান্ত নিরাপত্তার স্বার্থে বিএসএফকে প্রয়োজনীয় জমি প্রদান, অবৈধ অনুপ্রবেশকারীদের ফেরত পাঠানো, জনগণনা (সেনসাস) শুরু করা, গুণ্ডাদমন বিল আনা এবং ভবিষ্যতে অভিন্ন দেওয়ানি বিধি (ইউসিসি) কার্যকর করার বিষয়েও তাঁর সরকারের অবস্থান স্পষ্ট করেন।
অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি নেতা শিশির বাজোরিয়াও। সেখানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বামফ্রন্ট এবং তৃণমূল কংগ্রেস—উভয় সরকারেরই কড়া সমালোচনা করেন। তাঁর অভিযোগ, বামফ্রন্টের ৩৪ বছরের শাসনে শিল্পের বিকাশের পরিবর্তে রাজনৈতিক সংগঠন বিস্তারই বেশি গুরুত্ব পেয়েছিল। আর তৃণমূল সরকারের ১৫ বছরের শাসনে তুষ্টিকরণ এবং দুর্নীতির রাজনীতি হয়েছে বলে তিনি দাবি করেন।
প্রাক্তন সরকারের সঙ্গে বর্তমান সরকারের পার্থক্য তুলে ধরতে গিয়ে নাম না করেই মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কটাক্ষ করেন শুভেন্দু অধিকারী। তিনি বলেন, “আগের মুখ্যমন্ত্রী বলতেন, আমি সব জানি। এখনকার মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমি অনেক কিছুই জানি না, তাই শুনতে ও বুঝতে চাই। এটাই আগের ও বর্তমান সরকারের মধ্যে সবচেয়ে বড় পার্থক্য।”




















