রাজ্য – বারুইপুরে ১১ বছরের এক নাবালিকার মৃত্যু ঘিরে রাজ্যজুড়ে চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। অভিযোগ, নাবালিকাকে যৌন নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে। ঘটনার তদন্তে দ্রুত পদক্ষেপ করেছে পুলিশ। নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলে দোষীদের বিরুদ্ধে কঠোরতম ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। একইসঙ্গে রবিবার রাতে নির্যাতিতার পরিবারের সঙ্গে ফোনে কথা বলেন প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও। তিনি পরিবারের পাশে থাকার আশ্বাস দেন।
শনিবার বিকেল থেকে নিখোঁজ ছিল বারুইপুরের ওই ১১ বছরের নাবালিকা। রবিবার ভোরে বাড়ির পাশের একটি পুকুর থেকে তার দেহ উদ্ধার হয়। পরিবারের অভিযোগ, তাকে যৌন নির্যাতনের পর হত্যা করা হয়েছে। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সকাল থেকেই এলাকায় তীব্র উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
ঘটনার জেরে বিক্ষুব্ধ জনতার হাতে এক অভিযুক্তের মৃত্যুর অভিযোগও সামনে এসেছে। পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে এলাকায় মোতায়েন করা হয় বিশাল পুলিশ বাহিনী। তদন্তের স্বার্থে পুলিশ সুপারের নেতৃত্বে একটি বিশেষ তদন্তকারী দল (সিট) গঠন করা হয়েছে। ইতিমধ্যেই এই ঘটনায় দু’জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এবং তদন্ত চলছে।
অন্যদিকে, রবিবার সন্ধ্যায় কালীঘাটে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির সামনে বিপুল সংখ্যক পুলিশ ও কেন্দ্রীয় বাহিনী মোতায়েন করা হয়। এরপর একটি ভিডিও বার্তায় নিজের বাড়ির সামনে অতিরিক্ত নিরাপত্তা মোতায়েন নিয়ে ক্ষোভ প্রকাশ করেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। পাশাপাশি তিনি বারুইপুরের নির্যাতিতার পরিবারের পাশে থাকার বার্তাও দেন।
ঘটনার তদন্ত এখনও চলছে। পুলিশ জানিয়েছে, সমস্ত দিক খতিয়ে দেখে দ্রুত তদন্ত সম্পন্ন করে আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।




















