রাজ্য – জনগণনার কাজ নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার পাশাপাশি পড়ুয়াদের পড়াশোনায় যাতে কোনও প্রভাব না পড়ে, সেই লক্ষ্যেই রাজ্যে ফের ‘মর্নিং স্কুল’ চালুর ভাবনা শুরু হয়েছে। জলপাইগুড়িতে এক অনুষ্ঠানে যোগ দিয়ে এমনই ইঙ্গিত দিলেন রাজ্যের স্কুলশিক্ষামন্ত্রী দীপক বর্মন।
বর্তমানে দেশজুড়ে জনগণনার কাজ শুরু হয়েছে। এই গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক কাজে রাজ্যের বহু স্কুলশিক্ষক ও শিক্ষিকাকে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। ফলে একদিকে জনগণনার দায়িত্ব পালন এবং অন্যদিকে নিয়মিত শ্রেণিকক্ষের পাঠদান—দুইয়ের মধ্যে কীভাবে ভারসাম্য বজায় রাখা হবে, তা নিয়ে শিক্ষক মহলে আলোচনা শুরু হয়েছে।
এই প্রসঙ্গে শিক্ষামন্ত্রী বলেন, জনগণনা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি জাতীয় কর্মসূচি। তবে একই সঙ্গে পড়ুয়াদের শিক্ষার বিষয়টিকেও সমান গুরুত্ব দেওয়া হবে। দুই ক্ষেত্রেই যাতে কোনও সমস্যা না হয়, সেই লক্ষ্যে সরকার বিভিন্ন বিকল্প নিয়ে চিন্তাভাবনা করছে।
তিনি জানান, জনগণনার কাজে শিক্ষক-শিক্ষিকাদের যুক্ত থাকতেই হবে। তাই পাঠদানে বিঘ্ন এড়াতে শিক্ষকদের একাংশ ‘মর্নিং স্কুল’ চালুর প্রস্তাব দিয়েছেন। সরকার সেই প্রস্তাব ইতিবাচকভাবে বিবেচনা করছে এবং বিষয়টি নিয়ে প্রয়োজনীয় আলোচনা চলছে।
সরকারি সূত্রের দাবি, চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আগে শিক্ষা দপ্তর পরিস্থিতি পর্যালোচনা করবে। প্রয়োজন হলে নির্দিষ্ট সময়ের জন্য মর্নিং স্কুল চালু করে জনগণনার কাজ এবং শিক্ষাদান—দুই ক্ষেত্রেই স্বাভাবিকতা বজায় রাখার উদ্যোগ নেওয়া হতে পারে।




















