রাজ্য – তৃণমূলের দলীয় প্রতীক ও নাম নিয়ে চলা আইনি ও সাংগঠনিক বিতর্কে ফের সরব হলেন কালীঘাটপন্থী তৃণমূলের সুপ্রিমো মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। ঋতব্রত শিবির নির্ধারিত সময়ের মধ্যেও নিজেদের অবস্থান জানাতে ব্যর্থ হওয়ায় আর কোনও অতিরিক্ত সময় না দেওয়ার আবেদন জানিয়ে নির্বাচন কমিশনের কাছে কড়া চিঠি পাঠিয়েছেন তিনি। তাঁর দাবি, প্রতীক সংক্রান্ত মামলার দ্রুত নিষ্পত্তি হওয়া প্রয়োজন এবং অযথা সময়ক্ষেপণের কোনও সুযোগ দেওয়া উচিত নয়।
মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বক্তব্য অনুযায়ী, প্রথমে ৬ জুলাই এবং পরে ২৫ জুলাই—দু’দফায় নিজেদের অবস্থান ও প্রমাণ জমা দেওয়ার জন্য অতিরিক্ত সময় চেয়েছিল ঋতব্রত শিবির। কিন্তু সেই দুই নির্ধারিত সময়সীমাও অতিক্রান্ত হলেও কমিশনের কাছে তারা কোনও জবাব বা প্রয়োজনীয় নথি জমা দিতে পারেনি। তাই এই পরিস্থিতিতে আরও সময় দেওয়ার কোনও যৌক্তিকতা নেই বলেই তিনি নির্বাচন কমিশনকে জানিয়েছেন।
প্রসঙ্গত, তৃণমূলের দলীয় প্রতীক ও নামের দাবি জানিয়ে প্রথমে নির্বাচন কমিশনের দ্বারস্থ হয়েছিল ঋতব্রত শিবির। নিজেদের ‘আসল তৃণমূল’ দাবি করে তারা দলের নাম ও ‘ঘাসফুল’ প্রতীকের অধিকার চেয়ে আবেদন করে। সেই আবেদনের ভিত্তিতেই নির্বাচন কমিশন ঋতব্রত শিবির এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন কালীঘাটপন্থী তৃণমূল—উভয় পক্ষকে ৬ জুলাইয়ের মধ্যে নিজেদের অবস্থান স্পষ্ট করা এবং দাবির পক্ষে প্রমাণ জমা দেওয়ার নির্দেশ দেয়।
নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে কালীঘাটপন্থী তৃণমূল নির্ধারিত সময়ের মধ্যেই নিজেদের বক্তব্য ও প্রয়োজনীয় নথি জমা দেয়। তবে ঋতব্রত শিবির নির্ধারিত সময়ের মধ্যে তা করতে না পেরে পরপর দু’বার অতিরিক্ত সময়ের আবেদন জানায়। সেই প্রেক্ষিতেই এবার দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার আর্জি জানিয়ে কমিশনের কাছে নতুন করে আবেদন করলেন মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। এখন নির্বাচন কমিশন এই বিষয়ে কী সিদ্ধান্ত নেয়, সেদিকেই নজর রাজনৈতিক মহলের।




















