‘ঘৃণা নয়, শুদ্ধ সাত্ত্বিক প্রেমই আরএসএস-এর কাজের ভিত্তি’, লন্ডনে দাবি মোহন ভাগবতের! ‘ঐক্য ও আপন করে নেওয়ার মানসিকতাই মূল’

‘ঘৃণা নয়, শুদ্ধ সাত্ত্বিক প্রেমই আরএসএস-এর কাজের ভিত্তি’, লন্ডনে দাবি মোহন ভাগবতের! ‘ঐক্য ও আপন করে নেওয়ার মানসিকতাই মূল’

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



বিদেশ – ঘৃণা নয়, খাঁটি ও নিঃস্বার্থ ভালবাসাই রাষ্ট্রীয় স্বয়ংসেবক সংঘের (আরএসএস) কাজের ভিত্তি—লন্ডনে এক মতবিনিময় সভায় এমনই দাবি করলেন সংগঠনের প্রধান মোহন ভাগবত। তাঁর বক্তব্য, একাত্মবোধ, আপন করে নেওয়ার মানসিকতা এবং ‘শুদ্ধ সাত্ত্বিক প্রেম’-ই হিন্দু চিন্তাধারা ও আরএসএসের কর্মপদ্ধতির মূল ভিত্তি। তিনি বলেন, কেউ কেউ সংঘের কাজের ভিত্তি হিসেবে তীব্র ঘৃণার কথা বললেও বাস্তব চিত্র তার সম্পূর্ণ বিপরীত।

মোহন ভাগবতের কথায়, ‘আপনাপন’ বা একাত্মবোধের ধারণা শুধু ব্যক্তির মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। পরিবার, সম্প্রদায়, সমাজ থেকে শুরু করে সমগ্র মানবজাতির সঙ্গে এই আত্মীয়তার অনুভূতি জড়িয়ে রয়েছে। পাশাপাশি প্রকৃতির সঙ্গে হিন্দু সভ্যতার গভীর সম্পর্কের কথাও তুলে ধরেন তিনি। তাঁর দাবি, হিন্দুরা শুধু প্রকৃতির পুজোই করেন না, প্রকৃতিকে ভালবাসেন এবং নিজেদের অস্তিত্বের অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবেই দেখেন।

আরএসএসের ১০০ বছরের পথচলার প্রসঙ্গ তুলে ভাগবত বলেন, এই আপন করে নেওয়ার মানসিকতা ও ভালবাসাই সংগঠনের ঐক্য এবং চরিত্র গঠনের অন্যতম ভিত্তি। সংঘের স্বয়ংসেবকদের আচরণ ও সংগঠনের সামগ্রিক পরিবেশেও সেই ‘শুদ্ধ সাত্ত্বিক প্রেম’-এর প্রতিফলন দেখা যায় বলে দাবি করেন তিনি। তাঁর বক্তব্য, এক শতাব্দী পেরিয়ে গেলেও এই মূল ভাবনায় কোনও পরিবর্তন আসেনি।

বর্তমান বিশ্বের সংঘাত, পরিবেশগত ও অর্থনৈতিক সংকট এবং ডিজিটাল যুগের নানা চ্যালেঞ্জের মধ্যেও হিন্দু চিন্তাধারা কী বার্তা দিতে পারে, সেই প্রসঙ্গেও বক্তব্য রাখেন ভাগবত। তাঁর মতে, দৃশ্যমান বৈচিত্র্যের মধ্যেও অস্তিত্বের মূল সত্তা এক। বৈচিত্র্যকে স্বাভাবিক হিসেবে মেনে নিয়ে তাকে সম্মান করা প্রয়োজন। তবে সেই বৈচিত্র্যের মধ্যেও যে একত্বের প্রকাশ রয়েছে, সেই বোধকে সামনে রেখেই সমাজ ও বিশ্বের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তোলা উচিত বলে মন্তব্য করেন তিনি।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top