রাজ্য – নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর বিধানসভা উপনির্বাচনের মনোনয়ন পর্ব শেষ হতেই তৃণমূলের নাম ও প্রতীক নিয়ে ফের তৎপর নির্বাচন কমিশন। ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় এবং মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরকে বৃহস্পতিবার দিল্লিতে ফের ডেকে পাঠানো হয়েছে। ঋতব্রত শিবিরের পাঁচ সদস্যের প্রতিনিধিদলকে বিকেল ৩টের সময় নির্বাচন সদনে হাজির হতে বলা হয়েছে। কালীঘাটের প্রতিনিধিদের ডাকা হয়েছে বিকেল ৪টেয়।
দুই শিবিরই নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের উপনির্বাচনে জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করতে চেয়ে কমিশনের কাছে আবেদন জানিয়েছে। এর আগে দুই পক্ষের সঙ্গে বৈঠক করে প্রয়োজনীয় নথিপত্র চেয়েছিল কমিশন। সেই নথি জমা দেওয়ার পরই ফের শুনানির জন্য ডাকা হয়েছে দুই পক্ষকে। আগামী ৬ অক্টোবর দুই কেন্দ্রে ভোট এবং ৯ অক্টোবর ফল ঘোষণা হওয়ার কথা।
বৃহস্পতিবারের বৈঠকের পর জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে অন্তর্বর্তী কোনও নির্দেশ দিতে পারে কমিশন। এমন পরিস্থিতিতে প্রতীকটি আপাতত ‘ফ্রিজ’ করে দেওয়ার সম্ভাবনাও রয়েছে। সে ক্ষেত্রে দুই শিবিরকেই বিকল্প প্রতীক নিয়ে উপনির্বাচনে লড়তে হতে পারে। তবে বিষয়টি নিয়ে কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত এখনও প্রকাশ্যে আসেনি।
ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায় জানিয়েছেন, প্রতীক সংক্রান্ত সিদ্ধান্ত তাঁদের পক্ষেই যাবে বলে তিনি আশাবাদী। তাঁর কথায়, “আমি তো নির্বাচন কমিশনার নই। কিন্তু কমিশনের উপর আমাদের সম্পূর্ণ আস্থা আছে। যা যা চাওয়া হয়েছিল, দিয়ে দিয়েছি।” তৃণমূলের নাম ও জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে মূল বিরোধের মামলা বর্তমানে সুপ্রিম কোর্টে বিচারাধীন। ফলে বৃহস্পতিবারই কমিশন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত না নিয়ে আপাতত অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা নিতে পারে বলেই সংশ্লিষ্ট মহলে আলোচনা রয়েছে।




















