রাজ্য – দুই পক্ষের বক্তব্য ও নথিপত্র খতিয়ে দেখার পর বৃহস্পতিবার রাতে তৃণমূল কংগ্রেসের নাম ও জোড়াফুল প্রতীক নিয়ে অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্ত জানাল নির্বাচন কমিশন। শিবসেনার প্রতীক সংক্রান্ত বিরোধের মতোই এক্ষেত্রেও আপাতত প্রতীক ফ্রিজ করে দেওয়া হয়েছে। ফলে আসন্ন উপনির্বাচনে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তৈরি জোড়াফুল প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না কোনও পক্ষই। কমিশনের সিদ্ধান্ত প্রকাশের কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই এ নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রতিক্রিয়া জানান রাজ্য বিধানসভার বিরোধী দলনেতা ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়।
বৃহস্পতিবার প্রয়োজনীয় নথিপত্র নিয়ে নির্বাচন কমিশনের শুনানিতে হাজির হয়েছিলেন ঋতব্রত। শুনানিতে ঠিক কী আলোচনা হয়েছে, তা প্রকাশ্যে না আনলেও পরে সাংবাদিকদের তিনি জানিয়েছিলেন, প্রতীক পাওয়ার বিষয়ে তিনি আশাবাদী। কমিশনের তরফে করা প্রশ্নের জবাব দেওয়ার পাশাপাশি প্রয়োজনীয় নথিও জমা দেওয়া হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
তবে শেষ পর্যন্ত কোনও পক্ষকেই জোড়াফুল প্রতীক না দেওয়ার সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন। এই সিদ্ধান্তকে স্বাগত জানিয়েছেন ঋতব্রত। তাঁর বক্তব্য, একটি গণতান্ত্রিক রাজনৈতিক দলের মালিকানা কোনও ব্যক্তির হাতে থাকতে পারে না। তিনি বলেন, “রাজনৈতিক দল কখনও প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি হতে পারে না। এটা মগের মুলুক নয়। এটা উত্তর কোরিয়া নয়। এখানে ব্যক্তিগত মালিকানা বলে কিছু হয় না।”
ঋতব্রত আরও জানান, পরবর্তী পর্যায়ে ফের শুনানির সুযোগ থাকবে। শুক্রবার নিজেদের মধ্যে বৈঠক করে পছন্দের নতুন নাম ও প্রতীকের বিকল্প ঠিক করে তা নির্বাচন কমিশনের কাছে জমা দেওয়ার কথা জানিয়েছেন তিনি। কমিশনের এই অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্তকে ইতিবাচক হিসেবেই দেখছেন বলে দাবি করেছেন ঋতব্রত।




















