তৃণমূলের নাম-প্রতীক ফ্রিজ নিয়ে আপত্তি মমতা শিবিরের! কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই আদালতে যাওয়ার ইঙ্গিত, তড়িঘড়ি জমা ৩ বিকল্প প্রতীক

তৃণমূলের নাম-প্রতীক ফ্রিজ নিয়ে আপত্তি মমতা শিবিরের! কমিশনের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধেই আদালতে যাওয়ার ইঙ্গিত, তড়িঘড়ি জমা ৩ বিকল্প প্রতীক

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



রাজ্য – নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী সিদ্ধান্ত নিয়ে আগেই আপত্তি জানিয়েছিল কালীঘাট-শিবির। বৃহস্পতিবার রাতে ‘অল ইন্ডিয়া তৃণমূল কংগ্রেস’ নাম এবং ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা জারির পর সেই আপত্তি আরও প্রকাশ্যে এসেছে। তৃণমূল সাংসদ ও আইনজীবী কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় কমিশনের সিদ্ধান্তকে অবৈধ বলে দাবি করেছেন। সূত্রের খবর, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ও এই সিদ্ধান্তে আপত্তি জানিয়েছেন এবং পরবর্তী সময়ে আদালতের দ্বারস্থ হওয়ার কথা ভাবা হচ্ছে।

কমিশনের নির্দেশ অনুযায়ী, আপাতত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় ও ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের নেতৃত্বাধীন দুই গোষ্ঠীই তৃণমূলের পুরনো নাম ও ‘জোড়াফুল’ প্রতীক ব্যবহার করতে পারবে না। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগরের আসন্ন উপনির্বাচনে দুই পক্ষকেই পৃথক নাম ও মুক্ত প্রতীক নিয়ে লড়াই করতে হবে। ১৮ সেপ্টেম্বর সকাল ১১টার মধ্যে প্রত্যেক শিবিরকে পছন্দের তিনটি নাম এবং তিনটি করে মুক্ত প্রতীকের বিকল্প জানাতে বলা হয়েছে।

এদিকে উপনির্বাচনের প্রস্তুতির কথা মাথায় রেখে দ্রুত পদক্ষেপ করেছে মমতা শিবির। সূত্রের খবর, কমিশনের নির্দেশ জারির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই রাত সাড়ে ১১টার সময় তিনটি বিকল্প প্রতীক বেছে জমা দেওয়া হয়েছে। নন্দীগ্রাম ও রেজিনগর—দুই কেন্দ্রেই ইতিমধ্যে প্রার্থী ঘোষণা করেছে কালীঘাট-শিবির। প্রতীক সংক্রান্ত জটিলতার জেরে মনোনয়নপত্রের স্ক্রুটিনি প্রক্রিয়াও স্থগিত রয়েছে বলে জানা গিয়েছে।

কমিশনের এই অন্তর্বর্তী ব্যবস্থা আপাতত উপনির্বাচনকে কেন্দ্র করেই কার্যকর থাকবে। দুই গোষ্ঠীর মধ্যে দলের নাম ও প্রতীকের অধিকার নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত পরে নির্বাচন চিহ্ন সংক্রান্ত নিয়ম মেনে নেওয়া হবে। ফলে আদালতে যাওয়ার সম্ভাবনা এবং কমিশনের পরবর্তী সিদ্ধান্ত—দুই দিকেই এখন নজর রাজনৈতিক মহলের।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top