হিমঘরে জোড়াফুল! তৃণমূলের নাম-প্রতীক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা, মমতা-ঋতব্রত শিবিরের সামনে নতুন নাম-চিহ্নের প্রশ্ন

হিমঘরে জোড়াফুল! তৃণমূলের নাম-প্রতীক ব্যবহারে নিষেধাজ্ঞা, মমতা-ঋতব্রত শিবিরের সামনে নতুন নাম-চিহ্নের প্রশ্ন

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



রাজ্য – জোড়াফুল এবং তৃণমূলের পরিচিত নাম আপাতত ব্যবহার করতে পারবে না বিবদমান দুই শিবির। নির্বাচন কমিশনের অন্তর্বর্তী নির্দেশের পর মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং ঋতব্রত বন্দ্যোপাধ্যায়ের শিবিরকে এখন নতুন নাম ও প্রতীক বেছে নেওয়ার প্রক্রিয়ায় যেতে হবে। তবে কোন শিবির কী নাম বা প্রতীক চাইছে, তা এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে জানা যায়নি।

নির্বাচন কমিশনের ‘ফ্রি সিম্বল’-এর তালিকায় রয়েছে ১৮৪টি প্রতীক। সেখানে এয়ার কন্ডিশনার, আলমারি, কাঁচি, বাঁশি, মাইক, দূরবীন থেকে শুরু করে কোলাপুরি চপ্পলের মতো নানা প্রতীক রয়েছে। নিয়ম অনুযায়ী, সংশ্লিষ্ট শিবিরগুলিকে পছন্দের কয়েকটি নামের পাশাপাশি একাধিক প্রতীকের বিকল্প দিতে হয়। প্রতীকগুলির প্রাপ্যতা এবং অন্য কোনও দলের সঙ্গে সম্ভাব্য সংঘাত খতিয়ে দেখার পর চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয় কমিশন।

এই পরিস্থিতিতে তালিকার কয়েকটি প্রতীক নিয়ে রাজনৈতিক মহলে জল্পনাও শুরু হয়েছে। তালিকার ৬৪ নম্বরে রয়েছে বাঁশি। সিপিএমের এক রাজ্য নেতা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের রাজনৈতিক পরিস্থিতির সঙ্গে এই প্রতীকের তুলনা টেনে কটাক্ষ করেছেন। তাঁর বক্তব্য, দল ভাঙনের পর মমতার আহ্বানে কতজন পুরনো কর্মী-সমর্থক ফের সক্রিয় হন, সেটিই বড় পরীক্ষা। বিজেপি মুখপাত্র শঙ্কু দেব পাণ্ডাও ‘চপ্পল’ প্রতীককে ঘিরে কটাক্ষ করেছেন।

এদিকে ৪৪ নম্বর প্রতীক ‘Colour Tray and Brush’ বা রঙের প্যালেট ও তুলি। দীর্ঘদিন ধরে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারের সঙ্গে নীল-সাদা রঙের ব্যবহার নিয়ে রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক পরিসরে আলোচনা হয়েছে। ফলে এই প্রতীক নিয়েও রাজনৈতিক মহলে রসিকতা ও জল্পনা তৈরি হয়েছে। তবে শেষ পর্যন্ত কোন শিবির কোন নাম ও প্রতীক পাবে, তা নির্ভর করবে তাদের পছন্দ এবং নির্বাচন কমিশনের চূড়ান্ত সিদ্ধান্তের উপর।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top