কলকাতা:
বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপি ক্ষমতায় না এলে তাঁকে জেলে যেতে হতে পারে—এমন আশঙ্কা থেকেই আগেভাগে মা-বাবাকে ওড়িশায় পাঠিয়ে দেওয়ার পরিকল্পনা করেছিলেন বলে দাবি করলেন মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারী। শনিবার ন্যাশনাল লাইব্রেরিতে এক অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে নিজের সেই আশঙ্কার কথা জানান তিনি। তাঁর বক্তব্য অনুযায়ী, বাবা-মায়ের বয়সের কথা মাথায় রেখেই এমন পরিকল্পনা করেছিলেন তিনি।
শুভেন্দু বলেন, “বাংলার জনগণ এবার বাঁচিয়ে দিয়েছে। নইলে যে কী হাল হত আমাদের, তা বলার বাইরে। আমার বাবার বয়স ৯০ বছর। আর মায়ের ৮০ বছরের উপরে। আমি তো জানতাম লড়ব। তারপর যদি উল্টো কিছু হয়, তাহলে জেলে যাব। সেটা তো ঠিক আছে। ওদের ওড়িশা পাঠিয়ে দেব ভেবেছিলাম। এমন অবস্থা হয়েছিল।” তাঁর এই মন্তব্য ঘিরে রাজনৈতিক মহলে নতুন করে আলোচনা শুরু হয়েছে।
একই অনুষ্ঠানে রাজ্যের সংস্কৃতি ও আইনশৃঙ্খলা নিয়েও বক্তব্য রাখেন মুখ্যমন্ত্রী। তিনি বলেন, বাংলার সংস্কৃতি ফিরিয়ে আনতে সবাইকে একসঙ্গে কাজ করতে হবে এবং মা-বোনেদের সুরক্ষার জন্য আইন কঠোর করা হয়েছে। ‘বন্দে মাতরম’ প্রসঙ্গে তাঁর বক্তব্য, মাদ্রাসাতেও বন্দে মাতরম গাইতে হবে। দেশ ও সনাতন রাষ্ট্রীয় চেতনা নিয়ে সতর্ক থাকার বার্তাও দেন তিনি।
এ ছাড়াও এক সাধুর বক্তব্যকে কেন্দ্র করে তাঁকে অপমান না করার আহ্বান জানান শুভেন্দু। তাঁর কথায়, কারও বক্তব্য পছন্দ হলে গ্রহণ করা যেতে পারে, না হলে না-ও করা যায়, কিন্তু কাউকে অপমান করা উচিত নয়। পাশাপাশি বকরি ইদে গোমাতাকে হাত না লাগানোর প্রসঙ্গ টেনে তিনি বলেন, এ ধরনের ঘটনা আর হতে দেবেন না এবং মানুষকে ভয় থেকে বেরিয়ে আসার আহ্বান জানান।




















