নয়াদিল্লি: সোমবার রাতে ছয়টি রাজ্যে রাজ্যপাল নিয়োগ ও রদবদলের সিদ্ধান্তে অনুমোদন দিয়েছেন রাষ্ট্রপতি দ্রৌপদী মুর্মু। এরপরই রাষ্ট্রপতি ভবনের তরফে আনুষ্ঠানিক বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করা হয়। রাজ্যপালদের এই রদবদলকে কেন্দ্র করে জাতীয় রাজনীতিতে নতুন করে জল্পনা শুরু হয়েছে। বিশেষ করে, এবার কি কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভাতেও বড়সড় পরিবর্তন আসতে চলেছে, সেই প্রশ্ন ঘুরপাক খাচ্ছে রাজনৈতিক মহলে।
রাষ্ট্রপতি ভবনের বিজ্ঞপ্তি অনুযায়ী, সিকিমের রাজ্যপাল ওমপ্রকাশ মাথুরকে কেরলের রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে। কেরলের রাজ্যপাল রাজেন্দ্র বিশ্বনাথ আরলেকরকে তামিলনাড়ুর দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে। অন্যদিকে, দুষ্মন্ত গৌতম হচ্ছেন সিকিমের নতুন রাজ্যপাল। ওড়িশার রাজ্যপাল হিসেবে নিয়োগ করা হয়েছে ব্রজমোহন রামকে। কর্নাটকের নতুন রাজ্যপাল হচ্ছেন ড. সুধা যাদব এবং উত্তরাখণ্ডের দায়িত্ব পেয়েছেন ড. ধল সিং বিসেন। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা নিজ নিজ পদের দায়িত্ব গ্রহণের দিন থেকে এই নিয়োগ কার্যকর হবে।
এমন এক সময়ে এই রদবদল হল, যখন দিল্লিতে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমারকে ঘিরে বিরোধীদের প্রতিবাদ ও রাজনৈতিক সংঘাত অব্যাহত। বিরোধীদের একাংশের আন্দোলনকে কেন্দ্রীয় সরকারের বিরুদ্ধে বৃহত্তর প্রতিবাদের রূপ দেওয়ার চেষ্টাও করছে বলে রাজনৈতিক মহলের পর্যবেক্ষণ। এই পরিস্থিতিতে রাজ্যপালদের নিয়োগ ও বদলকে ঘিরে কেন্দ্রের পরবর্তী রাজনৈতিক পদক্ষেপ নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে।
রাজ্যপাল বদলের সঙ্গে সঙ্গেই কেন্দ্রীয় মন্ত্রিসভার সম্ভাব্য রদবদল নিয়ে জল্পনা নতুন মাত্রা পেয়েছে। যদিও মন্ত্রিসভায় পরিবর্তনের বিষয়ে এখনও কোনও আনুষ্ঠানিক ঘোষণা করা হয়নি। ফলে এই জল্পনার বাস্তব ভিত্তি কতটা, তা স্পষ্ট হবে কেন্দ্রের পরবর্তী সিদ্ধান্তের পরেই। আপাতত রাষ্ট্রপতির এই সিদ্ধান্তের রাজনৈতিক তাৎপর্য এবং দিল্লির পরবর্তী পরিস্থিতির দিকেই নজর রয়েছে।




















