কলকাতা — পিএইচডি কোর্সে সংরক্ষিত আসনে ভর্তির দ্বিতীয় দফার কাউন্সেলিং চলাকালীন নতুন করে আবেদন গ্রহণ করতে পারবে না বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। ২০২৩ সালের সরকারি নির্দেশিকা মেনে নির্দিষ্ট পদ্ধতি অনুসরণ না করে নতুন করে ভর্তি প্রক্রিয়া শুরু করা আইনসম্মত নয় বলে জানিয়ে দিল কলকাতা হাই কোর্ট। বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয়ের এক প্রার্থীর করা মামলার ভিত্তিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের জারি করা বিজ্ঞপ্তি খারিজ করেছে আদালত।
বিচারপতি সব্যসাচী ভট্টাচার্য এবং বিচারপতি অর্জুন রায় মুখোপাধ্যায়ের পুজোর অবকাশকালীন ডিভিশন বেঞ্চ এই নির্দেশ দিয়েছে। পাশাপাশি, মামলাকারী ঋতুপর্ণা চৌধুরীর প্রার্থীপদ নিয়েও দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষকে। আদালতের নির্দেশের পর ভর্তি সংক্রান্ত বিজ্ঞপ্তি বাতিল করেছে বিশ্ববিদ্যালয়।
আবেদনকারীর আইনজীবী অভিজিৎ মণ্ডল জানান, গত ৫ অক্টোবর বর্ধমান বিশ্ববিদ্যালয় ২০২৫ সালের পিএইচডি ভর্তি প্রক্রিয়ার দ্বিতীয় দফায় সংরক্ষিত শ্রেণির যোগ্য ও আগ্রহী প্রার্থীদের কাছ থেকে অনলাইনে নতুন করে আবেদন চেয়ে বিজ্ঞপ্তি প্রকাশ করে। সেই বিজ্ঞপ্তিকে চ্যালেঞ্জ জানিয়ে কলকাতা হাই কোর্টের দ্বারস্থ হন ঋতুপর্ণা চৌধুরী।
এর আগে গত ২৪ সেপ্টেম্বর সিঙ্গল বেঞ্চ জানিয়েছিল, সংরক্ষিত আসন সাধারণ প্রার্থীদের জন্য উন্মুক্ত করার আগে আইন অনুযায়ী দু’বার শূন্যপদ প্রকাশ করা প্রয়োজন। যদিও সেই সময় বিশ্ববিদ্যালয়ের বিজ্ঞপ্তির উপর কোনও অন্তর্বর্তী স্থগিতাদেশ জারি করা হয়নি। পরে সিঙ্গল বেঞ্চের নির্দেশকে চ্যালেঞ্জ করে ডিভিশন বেঞ্চে মামলা করেন আবেদনকারী।
মামলাকারীর বক্তব্য, ২০২৩ সালের ২৬ মে এবং ১৮ সেপ্টেম্বরের সরকারি মেমোরেন্ডাম অনুযায়ী, সংরক্ষিত আসনে উপযুক্ত প্রার্থী না পাওয়া গেলে নির্দিষ্ট নিয়ম ও পদ্ধতি মেনেই কেবল সেই আসন অসংরক্ষিত করা সম্ভব। সেই নির্দেশিকা উপেক্ষা করে দ্বিতীয় দফার কাউন্সেলিং চলাকালীন নতুন করে আবেদন চাওয়ার সিদ্ধান্তকে আইনসম্মত বলে মানতে নারাজ হাই কোর্ট।




















