
চলতি মাসের গোড়ায় যখন প্রবল গরমে হাসফাঁস করছিলেন রাজ্যবাসী, তখন ওড়িশার উপকূলে আছড়ে পড়ে ঘুর্ণিঝড় ফণী। আবহবিদদের পূর্বাভাস ছিল, ঝড়ের তাণ্ডব থেকে রেহাই পাবে না এ রাজ্যের উপকূলবর্তী এলাকা, এমনকী কলকাতাও। নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে রাজ্যের সরকারি ও সরকার অনুমোদিত স্কুলগুলিতে গরমের ছুটি এগিয়ে আনার সিদ্ধান্ত নেয় শিক্ষাদপ্তর। নির্দেশিকা জারি করে জানানো হয়, ৬ মে থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত পঠনপাঠন বন্ধ থাকবে সরকারি ও সরকার অনুমোদিত স্কুলগুলিতে। অর্থাৎ গরমের ছুটি চলবে টানা দু’মাস। কিন্তু, সরকারের সিদ্ধান্তের বিরোধিতায় সরব হন শিক্ষক-শিক্ষিকারা। তাঁদের বক্তব্য, টানা দু’মাস যদি স্কুল বন্ধ থাকে, সেক্ষেত্রে পঠনপাঠন ব্যাহত হবে। সময়মতো সিলেবাসও শেষ হবে না। এমনকী, স্রেফ স্কুল বন্ধ থাকার কারণে মিড-ডে মিলের চালও নষ্ট হয়ে যেতে পারে বলে আশঙ্কা দেখা দেয়। অবিলম্বে স্কুল খোলার দাবি তোলে পড়ুয়ারাও। দিন কয়েক আগে ডুয়ার্সের নাগরাকাটায় স্কুল খোলার দাবিতে ইউনিফর্ম পরে মিছিলও করেছে তারা।
টানা বিক্ষোভের পর চাপের মুখে সিদ্ধান্ত বদলের রাস্তায় হাঁটে শিক্ষাদপ্তর। তারই ফলশ্রুতি হিসাবে জুনের ১০ তারিখ আবার সমস্ত স্কুলগুলি খুলে যাওয়ার কথা ফেসবুকে ঘোষণা করেছেন পার্থ চট্টোপাধ্যায়। শিক্ষামন্ত্রী গত সোমবার ফেসবুকে পোস্ট দিয়ে শিক্ষার উন্নয়ন নিয়ে জণগণের মতামতও জানতে চেয়েছিলেন।



















