কালনায় চেন কিলার কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য

কালনায় চেন কিলার কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram

নিজস্ব সংবাদদাতা,পূর্ব বর্ধমান, ৩ রা জুন : কালনায় চেন কিলার কাণ্ডে চাঞ্চল্যকর তথ্য
পুলিশের জেরার মিলল চাঞ্চল্যকর তথ্য ,মহিলাদের খুন করার পর মৃতদেহে যৌন সম্পর্ক করতে চাইতো অভিযুক্ত সিরিয়াল কিলার কামরুজ্জামান l যৌন সম্পর্কে তৃপ্ত না হয়ে যৌনাঙ্গে লোহার রড ঢুকিয়ে দিত সে যৌনাঙ্গ ছিন্নভিন্ন করে এলাকা ছাড়তো চেন কিলার।
সিসি টিভির ফুটেজের সূত্র ধরেই ধৃত চেন কিলার
লাল বাইক লাল হেলমেট ধরিয়ে দিল তাকে
রাতভর জেরায় মিলল বেশ কিছু চাঞ্চল্যকর তথ্য।
কারোর সাথে তেমন কথা বলতো না,গ্রামে শান্ত স্বভাবের মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিল। এই ব্যাক্তি এতগুলো খুনের সাথে যুক্ত শুনে আৎকে উঠছে কালনার সুজন পুর গ্রামের বাসিন্দারা। সিরিয়াল কিলার কামরুজ জামান সরকার দেড় বছর আগে মুর্শিদাবাদ জেলার কালিনগর এলাকার ছেড়ে চলে আসে এখানে। দুই ছেলে ও এক মেয়ে,স্ত্রী কে নিয়ে কালনার সুজন পুর গ্রামে বসবাস শুরু করে, গ্রামে শান্ত মানুষ হিসেবে পরিচিত ছিল। সকালে মোটর বাইক নিয়ে বেরোতো কামরুজ, সে কি কাজ করতো টা কেউ টের পেতো না, কিন্তু তার নিঃশব্দতা নিয়ে কিছু কিছু গ্রামের মানুষ সন্দেহ হতো, ঠান্ডা মাথায় পর পর মানুষ খুন করে বাড়ি ফিরত টা কেউ বুঝতে পারতো না,কামরুজ জে এতবড়ো সিরিয়াল কিলার তা জেনে চমকে যায় গ্রামবাসীরা।

জানা গেছে, বিদ্যুতের মিটার দেখার নাম করে গৃহস্থের বাড়িতে ঢুকতো। কোন মহিলাকে একা পেলেই ব্যাগে থাকা লোহার চেন জড়িয়ে খুন করতো। তারপর মাথায় লোহার রড দিয়ে আঘাত করে মৃত্যু নিশ্চিত করতো। আজ পূর্ব বর্ধমান জেলার পুলিশ সুপার ভাস্কর মুখোপাধ্যায় এক সাংবাদিক সম্মেলন করে জানান,
গতকাল কালনা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ধৃতের কাছ থেকে উদ্ধার হয়েছে একটি চেন লোহার রড। যে মহিলারা খুন হয়েছে তাদের একটি বাড়ি থেকে এ উদ্ধার হয়েছিল একটি চেন। সেই সূত্র ধরেই পুলিশ তদন্ত শুরু করে। বিভিন্ন সিসিটিভি ফুটেজ পরীক্ষা করে আততায়ীর ছবি পাওয়া যায় । সিআইডির স্পেশাল টিম আততাতীয় ছবি স্কেচ করে। আক্রান্তের বাড়ি ও এলাকা থেকে থেকে আততাতীয় ধারনা নেওয়া হয়েছিল। পুলিশ জানতে পারে লাল কালো বাইকে চেপে ঘুরতো, হেলমেট পড়ে থাকতো, একটি বাজারের ব্যাগ সঙ্গে থাকত। তাতে চেন লোহার থাকতো। গত তিন মাসে কালনা মন্তেশ্বর, মেমারি ও হুগলী এলাকার ছ মহিলার মৃত্যু হয়। জখম হন ছ জন মহিলা। গলায় চেন দিয়ে পেচিয়ে খুন করে মৃত্যু নিশ্চিত করতে মাথায় রড দিয়ে আঘাত করতে বলে পুলিশ জানিয়েছে।। বিভিন্ন জায়গায় নাকা চেকিং শুরু হয় লাগাতার। তারই ফলশ্রুতি গ্রেপ্তার।
তার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে কিছু সোনা, রুপা, ইমিটেশনের গহনা । মূলত ভাঙাচোরা জিনিস কেনা বেচার ব্যবসা করত। ব এ রকম জিনিসপত্র তার বাড়ি থেকে উদ্ধার হয়েছে। পুলিশ জানিয়ে কিছু মহিলাকে যৌন নির্যাতন করেছে তারও নমুনা পাওয়া গেছে। ধৃতকে পুলিশ ১৪ দিনের পুলিশ হেফাজত চাইছে আদালতের কাছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top