প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনের ছাদেই যাতায়াত বাংলাদেশে

প্রাণের ঝুঁকি নিয়ে ট্রেনের ছাদেই যাতায়াত বাংলাদেশে

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram

ঢাকা: প্রতিবেশী ভারতে যেভাবে রেল যোগাযোগ সমৃদ্ধি লাভ করেছে বাংলাদেশে তা অনুপস্থিত। যে কারণে আজও বাংলাদেশের মানুষ বহুকষ্টে বাসে ও লঞ্চে করে যাতায়াত করেন। অল্প খরচে, অতিদ্রুত গন্তব্যে যাওয়া-আসার সুযোগ থেকে বঞ্চিত হন তাঁরা। বিশেষ করে দুটি ইদের সময়ে বাড়ি যেতে ও কর্মস্থলে ফিরতে বেশি কষ্ট ভোগ করতে হয়। ইদ-উল-ফিতরের সময়ও প্রচুর অসুবিধা হয়েছে সাধারণ মানুষের। বাড়ি যাওয়ার পথে ও ইদ শেষে কর্মস্থলে ফিরতে ঢাকাগামী ট্রেনের ছাদে ঝুঁকি নিয়ে উঠেছেন তাঁরা। উপচে পড়া ভিড়ের জেরে ট্রেনে উঠতেও পারেননি অনেকে।

পরিস্থিতি এমনই যে শুক্রবারও উপচে পড়া ভিড় দেখা গেল ট্রেনে। শুক্রবার সকালে টাঙ্গাইলের বঙ্গবন্ধু সেতুর পশ্চিম পাড়ে সয়দাবাদ, শহিদ এম. মনসুর আলি ও জামতৈল স্টেশনে ঢাকাগামী যাত্রীদের উপচে পড়া ভিড় দেখা যায়। চোখে পড়ে পরিবার সঙ্গে নিয়ে গরমে নাজেহাল প্রচুর মানুষকে। উত্তরাঞ্চলের বিভিন্ন জেলার প্রচুর যাত্রীকে ট্রেনের ছাদে পরিবার নিয়ে বসে থাকতে দেখা যায়। জীবনের ঝুঁকি থাকা সত্ত্বেও অনেক মহিলাকে দেখা যায় সন্তান কোলে নিয়ে ট্রেনের ছাদে চড়ে ঢাকার দিকে যাচ্ছেন।

গাজিপুরের একটি পোশাক কারখানায় কাজ করেন রংপুরের সুমি ইসলাম। ইদের পর কাজের জায়গায় ফিরছেন। এপ্রসঙ্গে তিনি বলেন, “ঢাকার বাসে সিট নেই, ভাড়াও অনেক। ট্রেনেও সিট পাইনি। তাই বাধ্য হয়ে স্বামী ও ছেলেমেয়েকে নিয়ে মেল ট্রেনের ছাদে চড়ে ঢাকা যাচ্ছি।”
জামতৈল স্টেশন মাস্টার আবদুল হান্নান বলেন, “ইদের আগে ও পরে ট্রেনের ছাদে চড়ে যাওয়ার দৃশ্য বারবার চোখে পড়লেও করার কিছু নেই। ঝুঁকি জেনেও যাত্রীরা এভাবেই চলাচল করছেন। নিষেধ করলেও আমাদের কথা শোনা তো দূরের কথা, আমলও দেননি কেউ। তাই আর বলা হয় না।” শহিদ এম মনসুর আলি স্টেশনের বুকিং সহকারী আবদুল খালেক বলেন, “বাস-ট্রেনের টিকিট না পেয়ে ছাদের উপর ঝুঁকি নিয়ে চলাচলের দৃশ্য নতুন নয়। গন্তব্যস্থলে ফেরার তাড়ায় বেশিরভাগ মানুষই এই কাজ করেন।”

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top