
নিজস্ব সংবাদদাতা,হলদিয়া,২৯ শে জুন: এবার বিরণগর পুরসভার চেয়ারম্যান এর বিরুদ্ধে আর্থিক দুর্নীতি ও স্বজন পোষণের অভিযোগ তুলে শুক্রবার বিকেলে পুরসভায় বিক্ষোভ প্রদর্শন ও পুরসভায় ভাঙচুর চালানোর অভিযোগ উঠলো পুরসভার ভাইস চেয়ারম্যান গোবিন্দ পোদ্দার এর অনুগামীদের বিরুদ্ধে।ঘটনার জেরে চেয়ারম্যান পার্থ চ্যাটার্জী কে দীর্ঘক্ষণ পুরসভার ভিতরে তালা বন্দী করে রাখে বিক্ষোভকারীরা।পরে রাতে রানাঘাট মহকুমা শাসক ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি সামাল দেন।যদিও তার বিরুদ্ধে তোলা অভিযোগ অস্বীকার করে তদন্তের দাবি করেছেন চেয়ারম্যান পার্থ চ্যাটার্জী।সূত্রের খবর,নদীয়ার বিরণগর পুরসভায় দীর্ঘদিন যাবৎ বিভিন্ন কাজ নিয়ে মতবিরোধ চলছে পুরসভার চেয়ারম্যান পার্থ চট্টোপাধ্যায় ও ভাইস চেয়ারম্যান গোবিন্দ পোদ্দারের এর মধ্যে।আর এই বিরোধ চরম জায়গায় পৌঁছায় মুখ্যমন্ত্রী এর কাট মানি ফেরত দেবার বক্তব্যের পর।বিরণগর পুরসভা এলাকার কাউন্সিলর দের এক অংশের অভিযোগ,শৌচালয় দেওয়ার জন্য কোনো কারণ না দেখিয়ে রশিদ ছাড়াই 3100 টাকা করে নিয়েছেন চেয়ারম্যান পার্থ চট্টোপাধ্যায়।অভিযোগ,পুরসভার 11 জন মহিলা কর্মীকেও বেক্তিগত বিদ্বেষের কারণে কাজ থেকে বসিয়ে নিজের পছন্দের লোক নিয়োগ করেছেন চেয়ারম্যান।অভিযোগ,রেশন কার্ড সহ একাধিক বিষয়ে চেয়ারম্যান অনুগামী কাউন্সিলররা বিভিন্ন সরকারি প্রকল্প এর সুবিধা দিতে টাকা দাবি করছেন।আর এই সবের প্রতিবাদে শুক্রবার বিরণগর পুরসভায় বিক্ষোভ দেখাতে গেলে চেয়ারম্যান ও ভাইস চেয়ারম্যান এর অনুগামী কাউন্সিলারদের মধ্যে বচসা ও মারামারির ঘটনা ঘটে।অভিযোগ,বিক্ষোভকারীরা বিক্ষোভের নামে পুরসভায় ভাঙচুরও চালায়।পরে পুরসভার চেয়ারম্যান কে পুরসভার ভিতর তালা বন্ধ করে রেখে বিক্ষোভ দেখাতে থাকেন কিছু তৃণমূলী কাউন্সিলর ও তাদের অনুগামীরা।বিকেল থেকে শুরু হওয়া এই বিক্ষোভ সন্ধ্যা পর্যন্ত না ওঠায় পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে ঘটনাস্থলে পৌঁছান রানাঘাট মহকুমা শাসক মনিস ভার্মা।তিনি ঘটনাস্থলে পৌঁছে বিক্ষোভকারীদের সাথে কথা বলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন ও বিক্ষোভ উঠে যায়।যদিও তার বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ অস্বীকার করেছেন চেয়ারম্যান পার্থ চট্টোপাধ্যায়।তার দাবি,তার বিরুদ্ধে কোনো আর্থিক দুর্নীতি বা কাট মানির নেওয়ার অভিযোগ থাকলে প্রশাসনের কাছে লিখিত জানাক।যে কোনো তদন্তের সন্মুখীন হতে প্রস্তুত বলেও দাবি করেন চেয়ারম্যান পার্থ চট্টোপাধ্যায়।উল্টে চেয়ারম্যানের অভিযোগ,জমির ব্যবসা চালাতে এলাকায় মানুষকে ভয় দেখাচ্ছে ভাইস চেয়ারম্যান।আর সেই অসামাজিক কাজের প্রতিবাদ করার জন্যই উদেশ্য প্রণোদিত ভাবে এই কাজ করছে ভাইস চেয়ারম্যান গোবিন্দ পোদ্দার।যদিও এই বিষয়ে গোবিন্দ পোদ্দারের কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।



















