আরিয়ানের বিরুদ্ধে সাক্ষী দিতে ১৮ কোটি ঘুষ ! শাহরুখ পুত্রের মামলায় ১৮ কোটি টাকার ঘুষ লেনদেনের অভিযোগ। মাদক মামলায় আরিয়ান খানের গ্রেপ্তারির পর থেকে একের পর এক ঘটনা ঘটেই চলেছে। এবার প্রভাকর শৈল নামের এক ব্যক্তির হলফনামাকে কেন্দ্র করে নতুন বিতর্কের সৃষ্টি হল। নিজের হলফনামায় নাকি নারকোটিক্স কন্ট্রোল ব্যুরোর অফিসার সমীর ওয়াংখেড়ের বিরুদ্ধে ঘুষ নেওয়ার অভিযোগ এনেছেন ওই ব্যক্তি।আরিয়ান খানের গ্রেপ্তারের পর সেলফি তুলে আলোচনায় এসেছিলেন কিরণ পি গোসাভি নামের এক ব্যক্তি। আলোচনার পর এনসিবি জানায়, কিরণ পি গোসাভি তাদের কেউ নয়; তাঁকে এই মামলার অন্যতম সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করা হয়। যদিও সেই থেকে পলাতক কিরণ।
উল্লেখ্য, ২ অক্টোবর মুম্বইয়ের বিলাসবহুল ক্রুজে এনসিবি হানা দেওয়ার ঘটনার নেতৃত্বে ছিলেন সমীর ওয়াংখেড়ে। শোনা গিয়েছে, তাঁর তত্ত্বাবধানেই আরিয়ানের মামলার তদন্ত চলছে। এহেন সমীর ওয়াংখেড়ের বিরুদ্ধেই অভিযোগ এনেছেন প্রভাকর শৈল। এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, আরিয়ান মামলার সাক্ষীদের তালিকায় প্রভাকরের নাম রয়েছে। এদিকে হলফনামায় নিজেকে কে পি গোসাভির ব্যক্তিগত দেহরক্ষী হিসেবে দাবি করেছেন। গোসাভিই সেই ব্যক্তি যার সঙ্গে আরিয়ানের সেলফি ভাইরাল হয়। বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই গোসভির আর কোনও খোঁজ এখনও পর্যন্ত মেলেনি বলেই খবর। তাঁর বিরুদ্ধে ভারতীয় দণ্ডবিধির ৪২০ ধারায় অভিযোগ দায়েরও হয়। জারি হয় লুকআউট নোটিস।
এবার এই কিরণ পি গোসাভির দেহরক্ষী দাবি করে প্রভাকর সেইল এক হলফনামায় জানিয়েছেন, এনসিবি তাঁকে ফাঁকা কাগজে স্বাক্ষর করিয়েছে। তিনি শুনেছেন, আরিয়ানের বিরুদ্ধে মুখ খুলতে ১৮ কোটি টাকার চুক্তি হয়েছে। এনসিবির আঞ্চলিক পরিচালক সমীর ওয়াংখেড়ে এবং প্রাইভেট ইনভেস্টিগেটর কে পি গোসাভির বিরুদ্ধে এমন অভিযোগ নিয়ে এসেছেন তিনি, যেখানে আট কোটি টাকা সমীর ওয়াংখেড়েকে দেওয়ার কথা হচ্ছিল। কিরণ পি গোসাভি ‘রহস্যজনক ভাবে নিখোঁজ’ হয়ে যাওয়ার পর থেকেই সমীর ওয়াংখেড়ের কাছ থেকে বিপদের আশঙ্কা করছেন প্রভাকর সেইল। জীবনের ঝুঁকি রয়েছে বলেও দাবি তাঁর। এনসিবির প্রেস রিলিজে প্রভাকর সেইলকে সাক্ষী হিসেবে উল্লেখ করেছিল এনসিবি।
আর ও পড়ুন পাকিস্তানের সামনে ১৫২ রানের লক্ষ্য রাখল ভারত
যদিও এমন অভিযোগ অস্বীকার করে এনসিবির আঞ্চলিক পরিচালক সমীর ওয়াংখেড়ে বলেছেন, তিনি এই অভিযোগের উপযুক্ত জবাব দেবেন। এনসিবির আরেকটি সূত্র এনডিটিভিকে বলেছেন, ‘এই হলফনামাটি এনডিপিএস আদালতে নেওয়া যেতে পারে। আমরা সেখানে আমাদের প্রতিক্রিয়া জানাব।’



















