ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনায় অভিষেক, ডেরেক-সহ একাধিক জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ১৩

ক্যামাক স্ট্রিটের ঘটনায় অভিষেক, ডেরেক-সহ একাধিক জনের বিরুদ্ধে মামলা, গ্রেপ্তার ১৩

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram



কলকাতা: কালীঘাট তৃণমূলের কার্যালয়ের হোর্ডিং খোলাকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার বিকেলে উত্তপ্ত হয়ে ওঠে ক্যামাক স্ট্রিট। কলকাতা পুরসভার আধিকারিক ও পুলিশকর্মীদের সঙ্গে দফায় দফায় বচসায় জড়িয়ে পড়েন তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, রাজ্যসভার সাংসদ ডেরেক ও’ব্রায়েন-সহ দলের অন্যান্যরা। ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে ইতিমধ্যেই দুটি মামলা দায়ের হয়েছে। মামলায় অভিষেক, ডেরেক, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়-সহ একাধিক তৃণমূল নেতাকর্মীর নাম রয়েছে। ঘটনায় এখনও পর্যন্ত ১৩ জনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

কলকাতা পুরসভার বিজ্ঞাপন বিভাগের ডেপুটি ম্যানেজার সুদীপকুমার বসু লিখিত অভিযোগে অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়, ডেরেক ও’ব্রায়েন, হুমায়ুন কবীর, বৈশ্বানর চট্টোপাধ্যায়-সহ কয়েকজনের বিরুদ্ধে বেআইনি জনসমাবেশ, পুরসভার আধিকারিক ও পুলিশকর্মীদের কাজে বাধা, হামলা, সরকারি সরঞ্জাম ও যন্ত্রপাতি নিয়ে নেওয়া এবং ভয় দেখানোর অভিযোগ করেছেন। অন্যদিকে, পার্ক স্ট্রিট থানার সার্জেন্ট সুজিতকুমার মণ্ডলের অভিযোগেও পুলিশের কাজে বাধা দেওয়ার পাশাপাশি একাধিক অভিযোগের কথা উল্লেখ করা হয়েছে।

ক্যামাক স্ট্রিটের ওই বিল্ডিংয়ের সাত তলায় অভিষেক বন্দ্যোপাধ্যায়ের অফিস। সেখানে তৃণমূলের একটি বড় বিলবোর্ড লাগানো ছিল। সেটি বেআইনি বলে অভিযোগ তুলে বৃহস্পতিবার বিকেলে কলকাতা পুরসভার আধিকারিকরা পুলিশকে সঙ্গে নিয়ে সেখানে পৌঁছন। এরপর অফিসের নিরাপত্তারক্ষীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি হয় বলে অভিযোগ।

পুলিশের অভিযোগ, অভিষেকের অফিসে ঢোকার সময় কয়েকজন নিরাপত্তারক্ষী পুলিশকর্মীদের বাধা দেন এবং কলার ধরে মারধর করেন। ঘটনায় কয়েকজন পুলিশকর্মী সিঁড়িতে পড়ে যান বলেও অভিযোগ। একইসঙ্গে পুরসভার আধিকারিকদেরও বারবার কাজে বাধা দেওয়া হয় বলে অভিযোগ উঠেছে।

পরিস্থিতির মধ্যেই পুরসভা ও পুলিশের আধিকারিকরা বিলবোর্ডটি খুলে ফেলতে সক্ষম হন। তবে তাঁরা ঘটনাস্থল ছেড়ে যাওয়ার পর ফের ওই জায়গায় তৃণমূলের নাম ও প্রতীক-সহ একটি নতুন ব্যানার ঝোলানো হয়। এই ঘটনাকে কেন্দ্র করেই পরবর্তীতে মামলা দায়ের এবং গ্রেপ্তারির ঘটনা ঘটে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top