বাংলায় মদ নিষিদ্ধের দাবি ভুয়ো, স্পষ্ট জানাল PIB

বাংলায় মদ নিষিদ্ধের দাবি ভুয়ো, স্পষ্ট জানাল PIB

Facebook
Twitter
LinkedIn
Email
WhatsApp
Print
Telegram


রাজ্য – পশ্চিমবঙ্গে সরকার বদলের আবহের মধ্যেই আচমকা সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়ে এক চাঞ্চল্যকর দাবি। ভাইরাল পোস্টে বলা হয়, আগামী ৩০ সেপ্টেম্বর থেকে নাকি পশ্চিমবঙ্গে সম্পূর্ণ মদ নিষিদ্ধ হতে চলেছে। এমনকি কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ নাকি ঘোষণা করেছেন, বিহারের মতো পশ্চিমবঙ্গকেও ‘ড্রাই স্টেট’ করা হবে। এই দাবি ঘিরে মুহূর্তের মধ্যে শুরু হয় জোর চর্চা ও বিভ্রান্তি।
২০২৬ সালের বিধানসভা নির্বাচনে বিজেপির সরকার গঠনের প্রস্তুতির মধ্যেই ভাইরাল হয় একটি স্ক্রিনশট। সেটি দেখতে অনেকটা একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের ইংরেজি পোর্টালের প্রতিবেদনের মতো ছিল। সেখানে দাবি করা হয়, পশ্চিমবঙ্গে সম্পূর্ণভাবে মদ বিক্রি বন্ধ করে দেওয়া হবে। পোস্টটি ছড়িয়ে পড়তেই সাধারণ মানুষের মধ্যে শুরু হয় নানা জল্পনা।
তবে এবার সেই দাবি নিয়ে স্পষ্ট অবস্থান নিল প্রেস ইনফরমেশন ব্যুরো বা PIB। PIB ফ্যাক্ট চেক বিভাগের তরফে জানানো হয়েছে, ভাইরাল হওয়া তথ্য সম্পূর্ণ ভুয়ো এবং বিভ্রান্তিকর। কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহ এ ধরনের কোনও ঘোষণা করেননি বলেও জানানো হয়েছে।
PIB আরও জানিয়েছে, পশ্চিমবঙ্গে মদ নিষিদ্ধ করার কোনও সরকারি সিদ্ধান্ত, পরিকল্পনা বা আলোচনা হয়নি। ভাইরাল ছবিটি কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা বা AI প্রযুক্তির সাহায্যে তৈরি করা হয়েছে বলেও দাবি করা হয়েছে সংস্থার তরফে।
এই পোস্ট ঘিরে রাজনৈতিক মহলেও শুরু হয়েছিল আলোচনা। বিশেষ করে ভোটের আগে ও পরে খাদ্যাভ্যাস, সংস্কৃতি এবং ব্যক্তিগত স্বাধীনতা নিয়ে যে রাজনৈতিক বিতর্ক তৈরি হয়েছিল, তার মধ্যেই এই ভুয়ো পোস্ট দ্রুত ছড়িয়ে পড়ে।
PIB নাগরিকদের সতর্ক করে জানিয়েছে, সোশ্যাল মিডিয়ায় ছড়িয়ে পড়া কোনও তথ্য যাচাই না করে বিশ্বাস বা শেয়ার করা উচিত নয়। বিভ্রান্তিকর তথ্যের মাধ্যমে সাধারণ মানুষের মধ্যে আতঙ্ক বা বিভ্রান্তি তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে বলেও সতর্ক করেছে কেন্দ্রীয় সংস্থা।
ভুয়ো তথ্য সংক্রান্ত অভিযোগ জানাতে নাগরিকদের জন্য যোগাযোগের ব্যবস্থাও জানিয়েছে PIB। সন্দেহজনক পোস্ট বা খবর দেখা গেলে তা -এ পাঠানো যেতে পারে। পাশাপাশি +91 8799711259 নম্বরেও যোগাযোগ করা সম্ভব বলে জানানো হয়েছে।
ভোট-পরবর্তী উত্তপ্ত রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে এই ধরনের ভুয়ো খবর আরও বিভ্রান্তি তৈরি করতে পারে বলে মনে করছে প্রশাসন। তাই সরকারি সূত্র যাচাই না করে কোনও তথ্য বিশ্বাস না করার আবেদন জানানো হয়েছে।

RECOMMENDED FOR YOU.....

Scroll to Top