কলকাতা – “বাবা, দাঁড়াও।” মধ্যমগ্রামের যশোর রোডে মুখ্যমন্ত্রী শুভেন্দু অধিকারীর গাড়ি লক্ষ্য করে আচমকাই এমনই ডাক দেন ৬৮ বছরের স্বপ্না দাস। কর্তব্যরত পুলিশ তাঁকে সরিয়ে দিতে গেলে গাড়ি থামিয়ে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, “ওনাকে আসতে দিন আমার কাছে।” এরপর গাড়ির কাছে পৌঁছে মুখ্যমন্ত্রীর মাথায় দু’হাত রেখে আশীর্বাদ করেন মধ্যমগ্রামের শ্রীনগরের বাসিন্দা স্বপ্নাদেবী।
এরপর মুখ্যমন্ত্রীকে নিজের সমস্যার কথা জানান তিনি। স্বপ্নাদেবীর অভিযোগ, অন্নপূর্ণা যোজনার জন্য ফর্ম পূরণ করেও এখনও টাকা পাননি। তাঁর কথা মন দিয়ে শোনার পর দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার নির্দেশ দেন মুখ্যমন্ত্রী।
স্বপ্নাদেবীর বয়সের বিষয়টি বিবেচনা করে মুখ্যমন্ত্রী জানান, অন্নপূর্ণা যোজনার পরিবর্তে তিনি বার্ধক্য ভাতা পাবেন। এরপরই উত্তর ২৪ পরগনার জেলাশাসক শিল্পা গৌরিসারিয়াকে স্বপ্নাদেবীর নাম-সহ প্রয়োজনীয় তথ্য সংগ্রহ করে তাঁর কাছে পাঠানোর নির্দেশ দেন তিনি।
সোমবার মধ্যমগ্রামে উত্তর ২৪ পরগনা মহিলা কো-অপারেটিভ ক্রেডিট সোসাইটি লিমিটেডের ৩৫তম প্রতিষ্ঠা দিবসের অনুষ্ঠানে যোগ দিতে গিয়েছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। তবে আমন্ত্রণপত্র না থাকায় অনুষ্ঠানে ঢুকতে পারেননি স্বপ্না দাস। তাই যশোর রোডের ধারে অপেক্ষা করছিলেন তিনি। মুখ্যমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করে নিজের সমস্যার কথা জানানোই ছিল তাঁর উদ্দেশ্য। শেষ পর্যন্ত মুখ্যমন্ত্রীর গাড়ি থামাতেই তাঁর কাছে পৌঁছে নিজের সমস্যার কথা জানান স্বপ্না। মুখ্যমন্ত্রীর তাৎক্ষণিক নির্দেশে এবার তাঁর বার্ধক্য ভাতা পাওয়ার পথ খুলল।




















