রাজ্য – বাঙালির পাতে ইলিশের চাহিদা থাকলেও সাম্প্রতিক বছরগুলিতে সমুদ্র থেকে এই রুপোলি ফসলের জোগান ক্রমশ কমছে। উপকূলের কাছাকাছি ইলিশের দেখা না মেলায় মৎস্যজীবীদের গভীর সমুদ্রে পাড়ি দিতে হচ্ছে। তবে সেখানেও প্রতিবার আশানুরূপ ইলিশ মিলছে না। চলতি বছরেও বাজারে ইলিশের জোগান তেমন বাড়েনি বলে জানা যাচ্ছে।
মৎস্যজীবী সংগঠনগুলির দাবি, ইলিশের সংখ্যা কমে যাওয়ার অন্যতম কারণ ট্রলি ফিশিং। এই পদ্ধতিতে এমন ধরনের জাল ব্যবহার করা হয়, যাতে ছোট-বড় নির্বিশেষে বিভিন্ন মাছ ধরা পড়ে যায়। ফলে অল্পবয়সি ইলিশও জালে উঠে আসছে। বড় হওয়ার আগেই ছোট ইলিশ ধরা পড়ায় ভবিষ্যতে সমুদ্রে ইলিশের সংখ্যা কমছে বলে মনে করছেন মৎস্যজীবীরা।
এর পাশাপাশি আবহাওয়ার খামখেয়ালিপনাও ইলিশ ধরার পথে বড় বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। একের পর এক দুর্যোগের কারণে মৎস্যজীবীরা দীর্ঘসময় সমুদ্রে থাকতে পারছেন না। ফলে মাছ ধরার সময় কমে যাচ্ছে, যার প্রভাব পড়ছে ইলিশের মোট জোগানে। ছোট ইলিশ ধরা বন্ধ করা এবং প্রতিকূল আবহাওয়ার মোকাবিলা—দুই দিকেই নজর না দিলে আগামী দিনে ইলিশের সংকট আরও বাড়তে পারে বলে আশঙ্কা মৎস্যজীবী মহলের।



















