বিদেশ -;বিশ্বের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ জ্বালানি পরিবহন পথ হরমুজ প্রণালীকে ঘিরে ফের উত্তেজনা বাড়ছে। মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তিনটি বাণিজ্যিক তেল ও জ্বালানিবাহী জাহাজে হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, জ্বালানি সরবরাহ এবং সমুদ্রপথের নিরাপত্তা নিয়ে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে। সম্প্রতি মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে সংঘাত সাময়িকভাবে স্থগিত রাখার জন্য একটি অন্তর্বর্তী সমঝোতা হলেও, সাম্প্রতিক এই ঘটনাগুলি অঞ্চলের অস্থির পরিস্থিতিরই ইঙ্গিত দিচ্ছে।
ব্রিটিশ নৌবাহিনীর অধীনস্থ নিরাপত্তা সংস্থার প্রাথমিক তথ্য অনুযায়ী, একটি তেলবাহী জাহাজ অজ্ঞাত পরিচয় একটি প্রজেক্টাইলের আঘাতে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। হামলায় জাহাজটির কাঠামোগত ক্ষতি হলেও কোনও হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। এছাড়া সমুদ্রে তেল ছড়িয়ে পড়া বা পরিবেশ দূষণের ঘটনাও ঘটেনি বলে জানানো হয়েছে। তবে হামলায় কী ধরনের অস্ত্র ব্যবহার করা হয়েছে এবং এর পেছনে কারা জড়িত, তা এখনও নিশ্চিতভাবে জানা যায়নি।
এর কয়েক ঘণ্টা আগেই পৃথক দুটি ঘটনায় একটি কাতারের তরল প্রাকৃতিক গ্যাস (এলএনজি) বহনকারী জাহাজ এবং একটি সৌদি আরবের পতাকাবাহী অপরিশোধিত তেলবাহী জাহাজও ক্ষতিগ্রস্ত হয়। ফলে একদিনের মধ্যেই তিনটি গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক জাহাজে হামলার ঘটনায় আন্তর্জাতিক মহলে নিরাপত্তা নিয়ে উদ্বেগ আরও বেড়েছে।
বিশেষজ্ঞদের মতে, হরমুজ প্রণালী বিশ্বের জ্বালানি সরবরাহ ব্যবস্থার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ করিডর। এই অঞ্চলে নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতি হলে আন্তর্জাতিক তেলের বাজার, বাণিজ্যিক পরিবহণ এবং বৈশ্বিক অর্থনীতির ওপর তার সরাসরি প্রভাব পড়তে পারে। হামলার ঘটনাগুলির তদন্ত চলছে এবং সংশ্লিষ্ট দেশগুলির নিরাপত্তা সংস্থাগুলি পরিস্থিতির ওপর নজরদারি বাড়িয়েছে।




















