রাজ্য – কেন্দ্রীয় বাজেটে শিক্ষা, কৃষি এবং পিছিয়ে পড়া শ্রেণির বরাদ্দ কমানোয় সরব হলেন মুখ্যমন্ত্রীর মুখ্য উপদেষ্টা ও নবান্নের প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী অমিত মিত্র। তাঁর অভিযোগ, গত এক দশকে শিক্ষাখাতে বরাদ্দ ধারাবাহিকভাবে কমেছে। এক সময় যেখানে শিক্ষায় বরাদ্দ ছিল ৩.৮ শতাংশ, তা এখন নেমে এসেছে মাত্র ২.৬০ শতাংশে। একইসঙ্গে সারের ভর্তুকিও উল্লেখযোগ্যভাবে কমানো হয়েছে বলে দাবি করেন তিনি।
অমিত মিত্রের মতে, এই বাজেট কার্যত কৃষক ও যুবসমাজবিরোধী। তিনি প্রশ্ন তোলেন, দেশের মধ্যবিত্ত শ্রেণির জন্য এই বাজেটে আসলে কী আছে। তাঁর বক্তব্য, করছাড় বা পরিকাঠামোর বড় ঘোষণা থাকলেও সাধারণ মধ্যবিত্তের জীবনে স্বস্তি দেওয়ার মতো কোনও বাস্তব সুবিধা এই বাজেটে নেই।
বাজেটের পরিসংখ্যানের স্বচ্ছতা নিয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। অমিত মিত্রের দাবি, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনায় যে বরাদ্দ দেখানো হয়েছে, তা প্রকৃত ব্যয়ের তুলনায় অনেক বেশি। কাগজে-কলমে বড় অঙ্কের বরাদ্দ দেখিয়ে বাস্তবে প্রকল্পগুলির গতি মন্থর রাখার অভিযোগ করেন তিনি।
একইসঙ্গে ডানকুনি-সুরাট শিল্প করিডর প্রকল্প থমকে থাকা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন অমিত মিত্র। তাঁর অভিযোগ, বহু প্রতিশ্রুত কেন্দ্রীয় প্রকল্প আজ কার্যত মুখ থুবড়ে পড়ে রয়েছে অথবা বরাদ্দ অর্থ ছাঁটাইয়ের মুখে। এতে শিল্পোন্নয়ন ও কর্মসংস্থানের সুযোগ ব্যাহত হচ্ছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।
সব মিলিয়ে কেন্দ্রীয় বাজেট নিয়ে রাজ্যের এই প্রাক্তন অর্থমন্ত্রী কেন্দ্রের অবস্থান স্পষ্ট করার চ্যালেঞ্জ ছুড়ে দিয়েছেন। তাঁর দাবি, পরিসংখ্যানের আড়ালে বাস্তব সমস্যাগুলিকে আড়াল করা যাবে না এবং কৃষক, যুব ও মধ্যবিত্তের স্বার্থে কেন্দ্রকে জবাবদিহি করতেই হবে।




















